খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮ মাঘ, ১৪৩২

ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সহযোগিতায় ৬ষ্ঠ ধাপে বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসা পাচ্ছেন ৪৭ জন

নেত্রকোণা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৫, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সহযোগিতায় ৬ষ্ঠ ধাপে  বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসা পাচ্ছেন ৪৭ জন

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় মানবতার সেবায় নেত্রকোণার দুর্গাপুর ও কলমাকান্দায় বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম করছেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

জেলার দুর্গাপুর উপজেলায় চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিনা খরচে গরীব অসহায় রোগীদের চিকিৎসা দেবার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।

এরই ধারাবাহিকতায় এ পর্যন্ত পাঁচ ধাপে দুই শতাধিক রোগীর চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। ময়মনসিংহের ডা. কে জামান বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালে মোট ২০৭ জনের অপারেশন সম্পন্ন হয়। রবিবার (১০ আগস্ট) ৬ষ্ঠ ধাপে আরো ৪৭ জনকে ময়মনসিংহে পাঠানো হয়েছে। তাদের প্রত্যেকেরই ছানি অপারেশন করা হবে। রোগীদের মধ্যে ২৩ জন নারী ও ২৪ জন পুরুষ রয়েছেন।

সমাজের এই বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিক,যারা প্রায় অন্ধত্বের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছেন তারা কায়সার কামালের এই মানবিক কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে আবারো চোখের আলো ফিরে পাচ্ছেন। ছানি অপারেশন সম্পন্ন হওয়া ব্যক্তিরা আবারো স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা ও কাজকর্ম করতে পারছেন।

নিজ অর্থায়নে এই রোগীদের চক্ষু চিকিৎসা দেবার পাশাপাশি তাদের খাওয়াদাওয়া, ঔষধ,যাতায়াত সহ চিকিৎসা সংক্রান্ত অন্যান্য যাবতীয় খরচও বহন করছেন কায়সার কামাল।

স্থানীয় সূত্র জানায়,’আর্তমানবতার সেবায় বিএনপি’ এই ভাবনাকে উপজীব্য করে কায়সার কামাল সাধারণ মানুষের জন্য নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করছেন। তার মানবিক উদ্যোগে হতদরিদ্র মানুষের দীর্ঘদিনের কষ্ট দূর হচ্ছে। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে এবং ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সার্বিক তত্ত্বাবধানে উপজেলার বাকলজোড়া ইউনিয়নের গুজিরকোণা গ্রামে আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ও চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পে চিকিৎসা নিতে আসা ৯৩২ জন রোগীর চোখের ছানি অপারেশনের জন্য চূড়ান্ত করা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন ধাপে রোগীদের চোখের অপারেশন করা হয়।

দুর্গাপুরের ভুলিগাঁও গ্রাম থেকে চোখের ছানি অপারেশনের জন্য আসা রোগী আব্দুল আলী বলেন,অনেকদিন ধরেই চোখে ছানি পড়েছে। আর্থিক সংকটে অপারেশন করতে পারিনি। কায়সার কামালের সহযোগিতার মাধ্যমে আমার চোখের অপারেশন হবে। আজ ময়মনসিংহ যাচ্ছি।

অপর রোগী আমেনা খাতুন বলেন,বড় হাসপাতালে গিয়ে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের চিকিৎসা করা সম্ভব না। অনেক খরচের ব্যাপার। তাই এতোদিন চোখের চিকিৎসা করাতে পারিনি। এবার কায়সার ভাই আমাদের মতো গ্রামের সাধারণ মানুষকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসা করাচ্ছেন।

চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ভজন চন্দ্র সরকার বলেন,বহুদিন ধরে চোখের অসুখে ভুগলেও টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারিনি। তবে এবার কায়সার ভাইয়ের উদ্যোগে চোখের চিকিৎসার ব্যবস্থা হলো। সুস্থ হয়ে আবার কাজকর্মে ফিরতে পারবো।

মানবতার সেবায় এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঠাকুরগাঁও–২ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন  বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী তুলা

MD JAMIL HASAN
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁও–২ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন  বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী তুলা

ঠাকুরগাঁও–২ (বালিয়াডাঙ্গী–হরিপুর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্বতন্ত্র প্রার্থী শেষ পর্যন্ত তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এতে করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আলোচিত এই আসনে রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড় সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন করেন।রিটার্নিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই তার মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

মো. জুলফিকার মর্তুজা চৌধুরী তুলা জানায়, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা ও সামগ্রিক নির্বাচনী কৌশলের অংশ হিসেবেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে বিএনপির জেলা কিংবা কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কোনো নেতা আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেননি।উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও–২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। বিদ্রোহী প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহারের ফলে এ আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থীর ডা. আব্দুস সালাম এর অবস্থান আরও সুসংহত হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী মাঠে বিএনপির সাংগঠনিক ঐক্য জোরদার করবে এবং ভোটের হিসাবেও দলটি সুবিধাজনক অবস্থানে যাবে। এই আসনে বর্তমানে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী থাকলেন ৭ জন।

নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় স্ত্রীর মৃত্যুদন্ড

মামুন রণবীর | নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় স্ত্রীর মৃত্যুদন্ড

Oplus_131072

নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামী রুক্কু মিয়াকে (৩৮) কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রী রুবিনা আক্তারকে (৩৭) মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেয়া হয়েছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জেলা জজ মোছা. মরিয়ম-মুন-মুঞ্জুরী এই রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল হাসেম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত রুবিনা আক্তার (৩২) জেলার পূর্বধলা উপজেলার কৈলাটি গ্রামের বজলুর রহমানের মেয়ে। তার স্বামী নিহত রুক্কু মিয়া একই উপজেলার লেটিরকান্দা গ্রামের শামছুর রহমানের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, রুক্কু মিয়া তিনটি বিয়ে করেছিলেন। প্রথম স্ত্রী রুবিনা ছাড়াও পরে নোয়াখালীতে দ্বিতীয় ও গাজীপুরে তৃতীয় বিয়ে করেন। রুক্কুর সঙ্গে ১১ বছরের সংসার জীবনে রুবিনার ৯ বছর ও ৭ বছরের দুইটি মেয়ে রয়েছে। কিন্তু কয়েক বছর ধরে তিনি তাদের ভরণপোষণ দিচ্ছিলেন না। এতে চরম কলহ দেখা দেয়। এই দাম্পত্য কলহের জেরে ২০২১ সালের ১৪ মে, ঈদের দিন সন্ধ্যায় রুক্কু মিয়া শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গেলে রাতের খাবার শেষে ঘুমন্ত অবস্থায় রুবিনা তাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

এই হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত রুক্কুর ভাই মো. আসান মিয়া বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে ওই মামলায় ১১ জনের সাক্ষ্য শেষে রুবিনা আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন আদালত।

রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল হাসেম বলেন, এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড। মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ ও উপস্থাপিত আলামত পর্যালোচনা করে আদালত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করছে।

রাবি ডিবেটিং ফোরামের নতুন কমিটি গঠন

রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
রাবি ডিবেটিং ফোরামের নতুন কমিটি গঠন

রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ফোরাম (RUDF)-এর ১৭তম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে চিফ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফাইনান্স বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের মোসাঈব ইবনে আনোয়ার।

গত ১৫ জানুয়ারি বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচনের মাধ্যমে ৬ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি গঠন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও মডারেটর মহোদয়।

কমিটিতে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রত্যয় সারার শিহাব, রাকিবুল হাসান স্বাধীন, মাফিউল ওয়াহিদ সিহাব, তামিম খান ও সৌকত খান অন্তু।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সাল থেকে রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ফোরাম (RUDF) শিক্ষার্থীদের বিতর্ক শেখানোর জন্য কাজ করে আসছে এবং একই সাথে জাতীয় পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় কে প্রতিনিধিত্ব করে আসছে।