খুঁজুন
সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৬ মাঘ, ১৪৩২

বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষকে ঈদ শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক | একুশে বার্তা
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৫, ৪:৪১ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষকে ঈদ শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

রবিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।

তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টে বলেন, ত্যাগ-তাকওয়া আর সংযমের শিক্ষা গ্রহণের মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার পর ব্যক্তি, পরিবার সমাজ এবং রাষ্ট্রীয় জীবনকে সুন্দর ও পরিশুদ্ধ করার পাশাপাশি মুসলিম উম্মাহর বিশ্বজনীন ঐক্য, সংহতি, সহমর্মিতা এবং অনাবিল আনন্দের বার্তা নিয়ে এলো পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর প্রতি জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও মোবারকবাদ। ঈদ মুবারক।

তিনি বলেন, ব্যক্তি জীবনকে পরিশুদ্ধ ও সংযমী করে গড়ার লক্ষ্যে মোমিন মুসলমানেরা মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার পর হৃদয় আনন্দে উপচে পড়া ঈদুল ফিতর সমাগত হয়।

বীর জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়ে দীর্ঘ দেড় দশক পর গুম, খুন, অপহরণের ভয়হীন-স্বাধীন সার্বভৌম এক গণতান্ত্রিক পরিবেশে দেশের আপামর জনগণ এ বছর পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে। এবারের ঈদ আনন্দে তাই যোগ হয়েছে উচ্ছাস-উৎসাহ উদ্দীপনার এক নতুন মাত্রা।

তবে মানুষের মনে পবিত্র আনন্দ-উচ্ছাসের এমন এক বাধাহীন ঊর্মিমুখর সময়েও অনেক মায়েদের মনে আনন্দ নেই। অনেক পরিবারে নেই উৎসবের আমেজ। কারণ ফ্যাসিবাদের দীর্ঘ দেড় দশকের গুম, খুন, অপহরণ, জুলুম নির্যাতনে সন্তান স্বজনহারা লাখো পরিবারে নেমে এসেছিল জাহেলিয়াতের অন্ধকার। শুধুমাত্র জুলাই-আগষ্টেই পলাতক স্বৈরাচারের পতনের শেষ দিনগুলোতে প্রাণ হারিয়েছেন নানা শ্রেণী পেশার হাজারো মানুষ। ছাত্র-যুবক-কৃষক-শ্রমিক-রাজনৈতিক কর্মী কিংবা নিরীহ পথচারী এমনকি নারী শিশু বৃদ্ধ পর্যন্ত ফ্যাসিস্টের বুলেট থেকে রক্ষা পায়নি। আহত হয়েছেন ২০ সহস্রাধিক মানুষ।

ফ্যাসিবাদ পতন আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারগুলোতে আজ তাই ঈদ উৎসবের বাঁধভাঙা উচ্ছাস নেই। ঈদের দিনেও হয়তো সন্তানহারা কোনো মায়ের চোখে অশ্রু। এই আনন্দঘন সময়েও স্বজনদের হৃদয়ে আপনজন হারানোর নিঃশব্দ কান্না। মাফিয়া চক্রের নির্মমতায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত প্রিয় মানুষটির কাছে বসেই অনেককে ঈদ আনন্দের এই দিনটি কাটাতে হচ্ছে আশা নিরাশা আর হতাশায়।

ঈদুল ফিতর নির্মল আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ মর্মবাণী মানবজাতির কাছে পৌছে যায়- তা হচ্ছে ‘সকলের তরে সকলে আমরা’। এই মর্মবাণী মানসিক কদর্য, অন্যায়, অবিচার ও নিষ্ঠুর সামাজিক অসাম্যকে অতিক্রম করে এক নিবিড় ভ্রাতৃত্ববোধের প্রেরণা জাগায়। আর এই প্রেরণায় উদ্দীপ্ত হয়ে সমাজের অপেক্ষাকৃত দরিদ্র, অবহেলিত ও বঞ্চিত মানুষের প্রতি সাহায্য ও সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দেয়া মুসলমান হিসাবে আমাদের কর্তব্য।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ দেড় দশক ধরে ফ্যাসিবাদী শাসন চালাতে গিয়ে যারা মানুষের ঈদ উৎসবের আনন্দকে ধ্বংস করে দিয়েছে, যারা অস্ত্রের জোরে মায়েদের বুক থেকে তাদের প্রিয় সন্তানদের কেড়ে নিয়েছে, যারা দেশের অসংখ্য অগণিত সন্তানকে পিতৃহারা-মাতৃহারা করেছে, এই বাংলাদেশে তাদের বিচার হতেই হবে। যে কোনো মূল্যে পলাতক স্বৈরাচার আর তাদের দোসরদের বিচারের মুখোমুখি করার মাধ্যমে দেশে আইন ও ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠা করে সন্তানহারা মায়েদের মনে স্বজন হারা শোকসন্তপ্ত পরিবারে একটু হলেও সান্ত্বনার বার্তা দেওয়া হবে। এবারের ঈদে এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অভিঘাত সত্বেও ঈদ আমাদের জাতীয় জীবনের সংস্কৃতির দ্যোতক, আবহমানকাল থেকে শুভেচ্ছা ও আনন্দের আদান প্রদান। ঈদুল ফিতরের দিনে আমি আল্লাহর দরবারে মোনাজাত করি বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য।

এশিয়ান টেলিভিশনের নতুন চেয়ারম্যান রূপায়ন গ্রুপের লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল ​

এস এম সোহাগ কাজী মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:১৬ অপরাহ্ণ
এশিয়ান টেলিভিশনের নতুন চেয়ারম্যান রূপায়ন গ্রুপের লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল ​

বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এশিয়ান টিভি-র পরিচালনা পর্ষদের নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রূপায়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) এশিয়ান টেলিভিশনের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​পর্ষদ সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত

​এশিয়ান টেলিভিশনের কার্যালয়ে আয়োজিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় টেলিভিশনটির সকল কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মো. লিয়াকত আলী খাঁন মুকুলকে চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সভায় উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ আশা প্রকাশ করেন যে, তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এশিয়ান টেলিভিশন গণমাধ্যম জগতে আরও সাফল্যের সঙ্গে এগিয়ে যাবে।

​বর্ণাঢ্য কর্মজীবন ও নেতৃত্ব

​নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল দেশের আবাসন খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান রূপায়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও গণমাধ্যম ও ব্যবসায়ী মহলে তার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। তিনি বর্তমানে:

​জাতীয় দৈনিক দেশ রূপান্তর-এর চেয়ারম্যান।

​দেশ রেডিও-র চেয়ারম্যান।

​অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স (অ্যাটকো)-এর একজন নির্বাচিত পরিচালক।

​আবাসন ও গণমাধ্যম খাতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই ব্যক্তিত্ব এশিয়ান টেলিভিশনের হাল ধরায় প্রতিষ্ঠানের কর্মীবাহিনী ও দর্শকদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তার সৃজনশীল নেতৃত্বে এশিয়ান টেলিভিশন তথ্য ও বিনোদনের মাধ্যমে দেশের মানুষের আরও কাছাকাছি পৌঁছাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

২১৪ বছরের লড়াই শেষে পাওয়া লাল-সবুজ পতাকায় আর শোষণ দেখতে চাই না: আল্লামা মামুনুল হক

এস এম সোহাগ কাজী মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ণ
২১৪ বছরের লড়াই শেষে পাওয়া লাল-সবুজ পতাকায় আর শোষণ দেখতে চাই না: আল্লামা মামুনুল হক

মাদারীপুর বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মাদারীপুর জেলা শাখার উদ্যোগে ১১-দলীয় ঐক্যজোটের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) মাদারীপুরে আয়োজিত এই বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক।

​শোষণের বিরুদ্ধে ২১৪ বছরের সংগ্রাম

​বক্তব্যের শুরুতে আল্লামা মামুনুল হক বাংলাদেশের স্বাধীনতার দীর্ঘ প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমরা যে লাল-সবুজের পতাকা পেয়েছি, তা দীর্ঘ ২১৪ বছরের সংগ্রামের ফসল। ১৯০ বছর ইংরেজদের বিরুদ্ধে, ১০০ বছর কোলকাতার দাদাবাবুদের প্রথা ও দিল্লির আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এবং ২৪ বছর পাকিস্তানের পিন্ডির খান বাহাদুরদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়েছে।”

​তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, “মানুষ ভেবেছিল ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা পেলে শান্তিতে থাকবে। কিন্তু স্বাধীনতার ৫৪ বছরে শুধু শাসক বদলেছে, শোষক বদলায়নি। স্বদেশী শাসকদের হাতেই এদেশের মানুষ গত ১৭ বছর অত্যাচারিত ও শোষিত হয়েছে, হারিয়েছে ভাত ও ভোটের অধিকার।”

​জুলাই বিপ্লব ও বর্তমান প্রেক্ষাপট

​২০২৪ সালের রক্তঝরা জুলাই বিপ্লবকে ইতিহাসের এক অনন্য মোড় হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “যখন পিঠ দেয়ালে ঠেকে যায়, তখনই ৪ কোটি ছাত্র-ছাত্রী রাজপথে নেমে আসে। প্রায় দেড় হাজার শহীদের রক্ত আর হাজার হাজার ছাত্রের পঙ্গুত্বের বিনিময়ে আমরা স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি। এই অর্জনকে নস্যাৎ করতে পর্দার আড়ালে এখনো ষড়যন্ত্র চলছে। কিন্তু এ দেশে আর কখনোই ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরতন্ত্রকে ফিরতে দেওয়া হবে না।”

​১১-দলীয় জোটের অঙ্গীকার ও প্রতীক হস্তান্তর

​আল্লামা মামুনুল হক জানান, ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বরং ১৮ কোটি মানুষের অধিকার নিশ্চিতে এই ১১-দলীয় জোট গঠিত হয়েছে। তিনি জোটের মূল লক্ষ্য হিসেবে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়া এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন।

​জনসভা শেষে তিনি মাদারীপুর-২ আসনের জোট প্রার্থী মাওলানা আব্দুস সোবহান খানের হাতে ‘রিকশা’ প্রতীক এবং মাদারীপুর-৩ আসনের প্রার্থী জনাব রফিকুল ইসলামের হাতে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক তুলে দিয়ে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

​উপস্থিত নেতৃবৃন্দ

​মাদারীপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মোখলেসুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন জোট প্রার্থী মাওলানা আব্দুস সোবহান খান ও রফিকুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় জামায়াত নেতা ড. খলিলুর রহমান মাদানী, জেলা সেক্রেটারি এনায়েত হোসেন, এনসিপি কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট শাকিল আহমেদ এবং খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় জোট নেতারা।

​বক্তারা আসন্ন নির্বাচনে জোট প্রার্থীদের জয়যুক্ত করে একটি বৈষম্যহীন ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার পথে সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত নেত্রকোণার কৃতি সন্তান সোমেশ্বর অলি

মামুন রণবীর | নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ণ
শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত নেত্রকোণার কৃতি সন্তান সোমেশ্বর অলি

প্রিয়তমা সিনেমার বিখ্যাত ঈশ্বর গানের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছেন গীতিকার সোমেশ্বর অলি।

গত বৃহস্পতিবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২৩ ঘোষিত হয়। এই তালিকায় শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সোমেশ্বর অলি।

হিমেল আশরাফ পরিচালিত ও আরশাদ আদনান প্রযোজিত শাকিব খান অভিনীত ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার বহুল প্রশংসিত গান ঈশ্বর।

এই গান মুক্তির পর থেকেই দর্শক শ্রোতার মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং গানটির কথার গভীরতা ও আবেগপূর্ণ প্রকাশ বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়।

ঈশ্বর গানের মাধ্যমে প্রেম, বেদনা ও আত্মসংঘাতের অনুভূতি সাবলীল ভাষায় তুলে ধরেন গীতিকার সোমেশ্বর অলি, যা সিনেমাটির গল্পকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। সেইসঙ্গে সব শ্রেণীর দর্শকদেরকে এই গান প্রিয়তমা সিনেমা দেখতে ব্যাপকভাবে অনুপ্রাণিত করে।

সোমেশ্বর অলি বলেন, রাষ্ট্রীয় এই স্বীকৃতি অনেক বড় ব্যাপার। এই প্রাপ্তি আরও বড় হয় যখন কাছের মানুষ, বন্ধু, পরিবার, সহকর্মী বা দূরের মানুষরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। ব্যক্তিগতভাবে আমি অনেক বেশি আবেগপ্রবণ মানুষ নই। সবকিছুতে ইমোশন সংযম বা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।

অলি বলেন, জুরি বোর্ডের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি, কারণ তারা অনেক গানের মধ্যে ঈশ্বরকে যোগ্য মনে করেছেন। সেই সঙ্গে পরিচালক, প্রযোজক এবং শিল্পীদেরও কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জানাই।

নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার কৃতি সন্তান সোমেশ্বর অলির এই অর্জনে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ আনন্দ ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।