খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮ মাঘ, ১৪৩২

ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন না দিলে জনগণ আবারো রাজপথে নামবে : ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

নেত্রকোণা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৯:২০ অপরাহ্ণ
ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন না দিলে জনগণ আবারো রাজপথে নামবে : ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

তিনি বলেন,জাতীয় সংসদ নির্বাচন শুধু বিএনপির একার দাবি নয়,সারাদেশের গণতন্ত্রকামী ও মুক্তিকামী মানুষের দাবি।

শনিবার (২৮ জুন) নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে আলোচনাকালে তিনি এসব কথা বলেন।

কায়সার কামাল বলেন,আমরা রাজপথের মানুষ, রাজপথে থেকে অভ্যস্ত। আমরা বিশ্বাস করি রাষ্ট্রযন্ত্র যারা চালাচ্ছেন ফেব্রুয়ারির মাঝেই নির্বাচন দিবেন। অন্যথায় বিএনপির মানুষ কিন্তু আবারও রাজপথে চলে যাবে। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য, আইনের শাসন কায়েম করার জন্য এবং সাংবিধানিক সরকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য নির্বাচনটা জরুরি।

তিনি বলেন,বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, হয়েছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যখন বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ১৯ দফাকে সামনে নিয়েই তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠা করেছেন। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ২৭ দফা প্রণীত করা হয়েছে। আর এখন ১৯ দফা ২৭ দফা সব দফার সংমিশ্রণে আগামীর বাংলাদেশকে গড়ার জন্য আমাদের দেশের তরুণ প্রজন্ম ভাবনাকে মাথায় নিয়ে তারেক রহমান ৩১ দফা প্রণয়ন করেছেন।

তিনি আরো বলেন,৩১ দফার মধ্যে বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষের কথা রয়েছে, কৃষকের কথা রয়েছে, শ্রমিকের কথা রয়েছে, দিনমজুরের কথা রয়েছে, শিক্ষকের কথা রয়েছে, ছাত্রের কথা রয়েছে, রয়েছে সমস্ত আইনজীবীদের কথা। অর্থাৎ সামগ্রিক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি হচ্ছে ৩১ দফা। সেই ৩১ দফাকে সামনে নিয়ে আগামীর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

কায়সার কামাল বলেন,বাংলাদেশকে আধুনিক আগামী প্রজন্মের দেশে পরিণত করতে চান তারেক রহমান।

এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন নেত্রকোণা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মো: আনোয়ারুল হক। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শরীফুল আলম।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ময়মনসিংহ বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ্ ওয়ারেছ আলী মামুন, আবু ওয়াহাব আকন্দ, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী,জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক এডভোকেট মো: মাহফুজুল হক,যুগ্ন আহ্বায়ক মুজিবুর রহমান খান,তাজেজুল ইসলাম ফারাস সুজাত,বজলুর রহমান পাঠান এবং এস. এম. মনিরুজ্জামান দুদু।

এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে জহিরুল আলম ভূঁইয়া নির্বাচিত হন। এতে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন আব্দুল আউয়াল। তারা দুজন উপজেলা বিএনপির সদ্য বিদায়ী আহ্বায়ক কমিটিতে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব ছিলেন।
এই সম্মেলনে দুর্গাপুর পৌর বিএনপির সভাপতি হিসেবে আতাউর রহমান ফরিদ ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে হারেজ গণিকে নির্বাচিত করা হয়।

দীর্ঘ সময় পর অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে নেতাকর্মীদের ঢল দেখা যায়। বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামগঞ্জ থেকে আগত নেতাকর্মীদের পদচারণায় দিনভর মুখর ছিল পৌর শহর।

ঠাকুরগাঁও–২ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন  বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী তুলা

MD JAMIL HASAN
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁও–২ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন  বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী তুলা

ঠাকুরগাঁও–২ (বালিয়াডাঙ্গী–হরিপুর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্বতন্ত্র প্রার্থী শেষ পর্যন্ত তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এতে করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আলোচিত এই আসনে রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড় সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন করেন।রিটার্নিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই তার মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

মো. জুলফিকার মর্তুজা চৌধুরী তুলা জানায়, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা ও সামগ্রিক নির্বাচনী কৌশলের অংশ হিসেবেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে বিএনপির জেলা কিংবা কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কোনো নেতা আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেননি।উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও–২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। বিদ্রোহী প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহারের ফলে এ আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থীর ডা. আব্দুস সালাম এর অবস্থান আরও সুসংহত হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী মাঠে বিএনপির সাংগঠনিক ঐক্য জোরদার করবে এবং ভোটের হিসাবেও দলটি সুবিধাজনক অবস্থানে যাবে। এই আসনে বর্তমানে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী থাকলেন ৭ জন।

নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় স্ত্রীর মৃত্যুদন্ড

মামুন রণবীর | নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় স্ত্রীর মৃত্যুদন্ড

Oplus_131072

নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামী রুক্কু মিয়াকে (৩৮) কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রী রুবিনা আক্তারকে (৩৭) মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেয়া হয়েছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জেলা জজ মোছা. মরিয়ম-মুন-মুঞ্জুরী এই রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল হাসেম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত রুবিনা আক্তার (৩২) জেলার পূর্বধলা উপজেলার কৈলাটি গ্রামের বজলুর রহমানের মেয়ে। তার স্বামী নিহত রুক্কু মিয়া একই উপজেলার লেটিরকান্দা গ্রামের শামছুর রহমানের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, রুক্কু মিয়া তিনটি বিয়ে করেছিলেন। প্রথম স্ত্রী রুবিনা ছাড়াও পরে নোয়াখালীতে দ্বিতীয় ও গাজীপুরে তৃতীয় বিয়ে করেন। রুক্কুর সঙ্গে ১১ বছরের সংসার জীবনে রুবিনার ৯ বছর ও ৭ বছরের দুইটি মেয়ে রয়েছে। কিন্তু কয়েক বছর ধরে তিনি তাদের ভরণপোষণ দিচ্ছিলেন না। এতে চরম কলহ দেখা দেয়। এই দাম্পত্য কলহের জেরে ২০২১ সালের ১৪ মে, ঈদের দিন সন্ধ্যায় রুক্কু মিয়া শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গেলে রাতের খাবার শেষে ঘুমন্ত অবস্থায় রুবিনা তাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

এই হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত রুক্কুর ভাই মো. আসান মিয়া বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে ওই মামলায় ১১ জনের সাক্ষ্য শেষে রুবিনা আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন আদালত।

রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল হাসেম বলেন, এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড। মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ ও উপস্থাপিত আলামত পর্যালোচনা করে আদালত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করছে।

রাবি ডিবেটিং ফোরামের নতুন কমিটি গঠন

রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
রাবি ডিবেটিং ফোরামের নতুন কমিটি গঠন

রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ফোরাম (RUDF)-এর ১৭তম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে চিফ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফাইনান্স বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের মোসাঈব ইবনে আনোয়ার।

গত ১৫ জানুয়ারি বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচনের মাধ্যমে ৬ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি গঠন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও মডারেটর মহোদয়।

কমিটিতে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রত্যয় সারার শিহাব, রাকিবুল হাসান স্বাধীন, মাফিউল ওয়াহিদ সিহাব, তামিম খান ও সৌকত খান অন্তু।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সাল থেকে রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ফোরাম (RUDF) শিক্ষার্থীদের বিতর্ক শেখানোর জন্য কাজ করে আসছে এবং একই সাথে জাতীয় পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় কে প্রতিনিধিত্ব করে আসছে।