খুঁজুন
রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

প্রযুক্তি ও রোবোটিক্সে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়াতে রাবিতে ROBOTIDE 2.0 আয়োজন

রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
প্রযুক্তি ও রোবোটিক্সে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়াতে রাবিতে ROBOTIDE 2.0 আয়োজন

প্রযুক্তি ও রোবোটিক্সে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়াতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে(রাবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রযুক্তি ও রোবোটিক্সের মহোৎসব “ROBOTIDE 2.0”। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জামাল নজরুল ইসলাম সায়েন্স বিল্ডিং-এর ৪০৩ নম্বর কক্ষে এই আয়োজন করা হয়। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা এবং দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ২টা সেগমেন্টে অনুষ্ঠিত হয়।

ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (IEEE) Robotics and Automation Society ও RUSBC-এর যৌথ আয়োজনে, BRACNet Limited-এর পৃষ্ঠপোষকতায় এবং Roboment-এর সহযোগিতায় এই আয়োজন করা হয়।

দিনব্যাপী আয়োজিত এ ওয়ার্কশপে ছিল কুইজ, বট ফাইট, টেকনিক্যাল সেশন এবং প্রজেক্ট ও রোবট (Soccer Bot) ডেভেলপমেন্ট কার্যক্রম। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন IEEE RUSB কাউন্সেলর ড. মো. এমদাদুল হক। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন IEEE RAS RUSBC অ্যাডভাইজর ড. মো. আরিফুল ইসলাম নাহিদ এবং IEEE ফাউন্ডিং অ্যাডভাইজর ড. শামীম আহমেদ।

ওয়ার্কশপ পরিচালনায় ছিলেন Roboment থেকে আগত বিশেষজ্ঞ মেন্টরগণ। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় সহ আরো কিছু বিদ্যালয়ের EEE, ICE, CSE,MSE, Physics, Mathসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ১২০ জন শিক্ষার্থী সকাল ও বিকালের দুই সেশনে অংশ নেন। তিন ঘণ্টাব্যাপী প্রতিটি সেশনে ছিল তাত্ত্বিক আলোচনা, হাতে-কলমে কয়েকটি প্রজেক্ট ( fire alarm, Automatic light, ldr sensor, ir sensor ) এবং সকার বট ডেভেলপমেন্ট কার্যক্রম। পরবর্তীতে আটটি গ্রুপকে দুই দলে ভাগ করে আটটি বটের অংশগ্রহণে এক প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন IEEE RUSB, APS,WIE-এর এক্সিকিউটিভ সদস্য ও ভলান্টিয়াররা। সেশনের শেষে “Soccer Bot Competition” ও কুইজ প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয় এবং বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

আয়োজকরা জানান, এই আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা রোবটের ডিজাইন ও কাঠামো নির্মাণ, মোটর, সেন্সর ও কন্ট্রোল সিস্টেমের ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি টিমওয়ার্ক, সমস্যা সমাধান, প্রতিযোগিতামূলক দক্ষতা ও নতুন নতুন উদ্ভাবনী আইডিয়া প্রয়োগের সুযোগ পাবে।

অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী কামরুল হাসান বলেন, এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা রোবোটিকস সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারছি। পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানের পাশাপাশি বাস্তবিক জ্ঞান অর্জন করাও সহজ হবে। কারণ আমরা বইয়ে যা পড়ি, তা বাস্তবে প্রয়োগ করতে পারলে আমাদের জ্ঞান আরও সমৃদ্ধ হবে।
উদাহরণস্বরূপ, ঘরের লাইট বন্ধ করতে ভুলে গেলেও অটোমেটিকভাবে লাইট বন্ধ হয়ে যাবে—এ ধরনের প্রযুক্তি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে উপকারে আসবে। আমরা চাইবো, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে এই ধরনের প্রোগ্রাম আরও বড় পরিসরে আয়োজন করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা বাস্তব অর্থে জ্ঞান অর্জন করতে পারে।

আয়োজক কমিটির সদস্য মো. জাবির মাহমুদ বলেন, আজকের এই কর্মশালাটি রোবোটিক্স সম্পর্কে আমাদের প্রযুক্তিগত ব্যবহারকে উন্নত করবে। বর্তমান বিশ্বের বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো আজ রোবট দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। সেই বিবেচনায় আমরা প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করেছি। এখানে তারা রোবট ডেভেলপমেন্ট ও প্রোজেক্ট সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারছে। তারা সার্কিট বোর্ড তৈরি করছে, বিভিন্ন সেন্সর বানাচ্ছে এবং নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। কর্মশালার শেষ দিকে কুইজ অনুষ্ঠিত হয়, যা পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

উল্লেখ্য, প্রযুক্তি ও রোবোটিক্সে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবনী সমাধান উপস্থাপনের উদ্দেশ্যে এ আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজকরা আশা করছেন, এই ধরনের কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের বাস্তবিক জ্ঞান অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রথমবারের মতো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসি উদ্বোধন

ফারিহা তাহসীন রাইসা, রাবি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ণ
প্রথমবারের মতো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসি উদ্বোধন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (রাকসুর) উদ্যোগে ক্যাম্পাসে প্রথমবারের মতো একটি ফার্মেসির উদ্বোধন করা হয়েছে।

এতে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরেই নিত্যপ্রয়োজনীয় সব ধরনের ওষুধ কিনতে পারবেন।

শুক্রবার (৮মে) বিকেল সাড়ে ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবলিশ চত্বর সংলগ্ন এলাকায় এ ফার্মেসির উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনকালে রাকসুর এজিএস সালমান সাব্বির বলেন, ‌‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ৭২ বছরেও প্রশাসন পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল সেবা নিশ্চিত করতে পারেনি। এমনকি ক্যাম্পাসের ভেতরে একটিও ফার্মেসি ছিল না। আমাদের ইশতেহারে ছিল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি ফার্মেসি স্থাপন করা। আমরা রাকসুর উদ্যোগে ফার্মেসি চালু করতে সক্ষম হয়েছি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতায় এবং রাকসুর উদ্যোগে আজ ক্যাম্পাসের ভেতরে একটি ফার্মেসি চালু হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে এমন একটি স্থানে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, যেখানে ছাত্রীদের সহজ যাতায়াত ও ওষুধ সংগ্রহের সুবিধা নিশ্চিত হবে।’

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন খান বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকলেও একটি ফার্মেসির অভাব ছিল, যা সত্যিই একটি অপূর্ণতা ছিল। আজ সেই অপূর্ণতার পূর্ণতা পেল।’

নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস

ফারিহা তাহসিন রাইসা, রাবি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৫- ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে রাবি ক্যাম্পাস। নতুন পরিবেশ, নতুন স্বপ্ন এবং বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম দিনের অভিজ্ঞতাকে ঘিরে তাদের চোখেমুখে ছিল উচ্ছ্বাস আর কৌতূহলের ছাপ।

রবিবার (১০ মে) সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে নবীনদের আনাগোনা ছিল চোখে পড়ার মতো। সকাল ১০টায় বিভিন্ন অনুষদ ও বিভাগের সামনে তাদের সঙ্গে অভিভাবকদেরও দেখা যায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীর সংখ্যাও বাড়তে থাকে।

ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, নবীনদের আগমনে নতুন রূপ ধারণ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার, প্যারিস রোড, টুকিটাকি চত্বর, আম চত্বর, পরিবহন মার্কেট, ইবলিশ চত্বরসহ বিভিন্ন জায়গায় নতুন-পুরোনো শিক্ষার্থীদের আড্ডা ছিল লক্ষণীয়।

প্রথন দিনের অনুভূতি জানতে চাইলে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী সালমান আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন পরিবেশ আমাদের জন্য অনেক আনন্দ আর উচ্ছ্বাসের। তবে এখানে আসার পথটা আমার জন্য সহজ ছিল না। ভর্তির শুরুটা ছিল বেশ কঠিন। প্রথমবার চান্স না পাওয়ায় ভীষণ হতাশায় পড়েছিলাম। সেই হতাশা কাটিয়ে দ্বিতীয়বার চেষ্টা করি, আর তখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাই।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী রিফাত বলেন, দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান শেষ আমি আজকে আমার জীবন নতুন যাত্রা শুরু করলাম, অনেক কষ্ট আর পরিশ্রমের মাধ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে অর্জন করতে পেরেছি। বিভাগের শিক্ষক , বড় ভাই বোন খুবই আন্তরিক। আমি আশা করছি আমার লক্ষ অর্জন করতে সক্ষম হবো।

ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষার্থী ফরহাদ রেজা বলেন, রাবি আমার কাছে ভালো লাগার ক্যাম্পাস। আমি এর আগেও এসেছি তখন থেকেই রাবির প্রতি আমার আলাদাভাবে ভালোলাগা শুরু হয়েছে। আমার আরো কিছু বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছিলো কিন্তু রাবিকেই আমি চয়েস হিসেবে নিয়েছি। ভালোভাবে পড়াশোনা করে বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আজকের দিনটি শুরু করতে যাচ্ছি

ব্যাংকিং এন্ড ইন্সুরেন্স বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী রাশেদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম দিন আসলেই ভালো লাগতেছে। ভিতর থেকে কেমন যে এক অজানা উদ্দিপনা কাজ করতেছে, আমিও এখন থেকে ০এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। চারদিকে নতুনত্ব, নতুন বন্ধু, নতুন পরিবেশ, নতুন একটা পরিবারের মতো লাগছে।

নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমান বলেন, ক্যাম্পাসে নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাই, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন তাদের মধুর হোক। একইসাথে আমি সর্তক করে দিতে চাই র‍্যাগিং আইনত দণ্ডনীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী এতে জড়ালে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সবাইকে সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ভর্তি প্রক্রিয়া শেষে আজ (১০ ম) বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ক্লাস শুরু হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে টুম্পা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনে অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে টুম্পা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনে অনিয়মের অভিযোগ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া ইউনিয়নের ঘনি বিষ্ণপুর গ্রামের সাদেকুল ইসলামের মেয়ে টুম্পা মনির বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে |

লাস্যময়ী টুম্পা মনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দোকানদার এবং কি ধনী লোককে ফাঁদে ফেলে টাকা নিয়ে টাকা আর দেয় না।টাকা চাইলে পরবর্তীতে উল্টা আরো হুমকি ধামকি দেয়।
এই মহিলা কে বিভিন্নভাবে আবু নামে একজন সহযোগিতা করে আসছে। এদের বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন সময় কয়েকজন ব্যবসায়ী ও স্থানীয় ব্যক্তি আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন।
স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ নেওয়ার পর তা ফেরত না দেওয়া এবং টাকা ফেরত চাইলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক লিখিত অভিযোগ বা প্রশাসনিক তদন্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে এলাকাবাসীর একাংশ বলছেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত টুম্পার সাথে বার বার যোগাযোগ করা হলেও টুম্পা এব্যাপার এ কোন বক্তব্য দিতে রাজী হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা জনমাধ্যমে অভিযোগ প্রকাশের আগে যথাযথ প্রমাণ ও আইনি প্রক্রিয়ার অনুসরণ জরুরি। তারা বলছেন, এতে যেমন প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে, তেমনি কারও সম্মানহানির ঝুঁকিও কমবে।
প্রশাসনের প্রতি এলাকাবাসীর আহ্বান অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।