খুঁজুন
বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৩০ বৈশাখ, ১৪৩৩

রাকসু নির্বাচন

নির্বাচনী বিতর্কে নানা প্রতিশ্রুতি ভিপি- জিএস প্রার্থীদের

ত্বাসীন সিদ্দিকা রূপা
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
নির্বাচনী বিতর্কে নানা প্রতিশ্রুতি ভিপি- জিএস প্রার্থীদের

রাজনৈতিক সচেতন ও গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস গড়ে তোলা, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করা, ফ্যাসিবাদী নীতির বাইরে এসে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক জায়গাকে নতুনভাবে গড়ে তোলা, শিক্ষার্থীদের মৌলিক চাহিদার বাস্তবায়ন, শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা, গবেষণা, নতুন নতুন উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির প্রতি উদ্বুদ্ধ করাসহ নির্বাচনী বিতর্কে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন রাকসু নির্বাচনের সহসভাপতি (ভিপি) প্রার্থীরা।

শনিবার (১১ অক্টোবর) বিকেল ৪ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে এই নির্বাচনী বিতর্ক অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন রাকসু প্রধান নির্বাচন কমিশনার। রাকসু নির্বাচন নিয়ে রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ফোরামের (আরইউডিএফ) সহযোগিতায় এই বিতর্কের আয়োজন করে নির্বাচন কমিশন।

বির্তকের প্রথম সেশনে রাকসুর ৯ জন ভিপি পদপ্রার্থীদের নিয়ে চারটি ধাপের মধ্যে দিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। প্রথম ধাপে সব প্রার্থী তারা নির্বাচিত হলে কী করবেন?, দ্বিতীয় ধাপে তিনটি প্রশ্নের উত্তর, তৃতীয় পর্বে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্ব এবং সবশেষে ছিল কনক্লুশন। এরপর দ্বিতীয় সেশনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থীদের নিয়ে বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়।

বিতর্কে অংশ নিয়ে ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, “আমরা যে প্যানেলটি গঠন করেছি সেটি একটি ইনক্লুসিভ প্যানেল। চাইলে শুধু ছাত্রশিবিরের সদস্যদের নিয়েই প্যানেল গঠন করতে পারতাম, কিন্তু আমরা তা করিনি—বরং বিভিন্ন মতাদর্শের শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করে প্যানেল দিয়েছি। আমাদের প্যানেলে যেমন ‘জুলাই আন্দোলনে আহত যোদ্ধা’ আছেন, তেমনি আছেন নারী প্রার্থীও। আমরা যে ইশতেহার প্রকাশ করেছি, তা ১২ মাস মেয়াদী হলেও ইনশাআল্লাহ ৬ থেকে ৭ মাসেই অধিকাংশ লক্ষ্য বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।”

বাম সমর্থিত ‘গণতান্ত্রিক শিক্ষার্থী পর্ষদ’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী ফুয়াদ রাতুল বলেন, “রাকসুকে আমরা গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস গড়ে তোলার এক গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে দেখি। জুলাই আন্দোলনেও আমরা ছাত্রলীগের সন্ত্রাস ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিলাম। নির্বাচিত হলে শিক্ষার্থীদের আবাসন ও খাদ্যসংকট নিরসন, সাইবার বুলিং প্রতিরোধ সেল গঠন এবং রাকসুকে একটি ছায়া সংগঠন হিসেবে সক্রিয় রাখার উদ্যোগ নেব। আমাদের লক্ষ্য একটি ভয়ভীতিহীন, গণতান্ত্রিক ও অংশগ্রহণমূলক বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ তৈরি করা।”

রাকসু নির্বাচনে একমাত্র নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে সচেতন শিক্ষার্থীদের জায়গা। তাই আমরা শিক্ষার্থীদের মন জয় করতে মুখরোচক ইশতেহার দিইনি। রাকসুর মাধ্যমে যেগুলো বাস্তবায়নযোগ্য, সেগুলোই রেখেছি আমাদের ঘোষণায়।
আমাদের ১২টি বাস্তবসম্মত ইশতেহারের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের বাস্তব সমস্যার সমাধান। নির্বাচিত হলে আবাসন সংকট দূরীকরণ, ভর্তি নীতিমালা সহজীকরণ, শিক্ষকদের জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং সবচেয়ে বড় বিষয়—এবারের রাকসুর মাধ্যমে উপাচার্য নির্বাচন পুনরায় চালু করা।”

রাকসু ফর র‍্যাডেক্যাল চেইঞ্জ প্যানেলের
ভিপি প্রার্থী মেহেদী মারুফ বলেন,
“রাকসুর মাধ্যমেই আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক এক্সিলেন্স বা শিক্ষার উৎকর্ষতা অর্জন করতে পারি। এজন্য দায়বদ্ধতা ও স্বচ্ছতার পরিবেশ তৈরি করতে চাই। আমি বিশ্বাস করি, শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, প্রশাসনের জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত একাডেমিক পরিবেশ গড়ে তোলার মাধ্যমে রাকসুকে প্রকৃত অর্থে সক্রিয় করা সম্ভব।”

স্বতন্ত্র ভিপিপ্রার্থী নোমান ইমতিয়াজ বলেন, “রাকসু একটি অরাজনৈতিক সংগঠন হওয়া উচিত। আমার একমাত্র প্রতিশ্রুতি হলো—শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিত্তিতে নয়, বরং যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ হতে হবে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হলে প্রথমেই আবাসন সমস্যার সমাধান জরুরি।”

ছাত্র ইউনিয়নের (একাংশের) সভাপতি ভিপি পদপ্রার্থী মাসুদ কিবরিয়া বলেন,
“আমার মতে, প্রতিটি নির্বাচনই রাজনৈতিক। তবে আমি চাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন বুঝতে পারে তাদের অধিকারগুলো কী এবং সেগুলো কীভাবে প্রতিষ্ঠা করা যায়। আমি নির্বাচিত হলে শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার ও ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নে রাকসুকে ব্যবহার করব। রাকসুকে কেন্দ্র করে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে চাই, যেখানে শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণের অংশ।”

ভিপি পদপ্রার্থী তাওহীদুল ইসলাম বলেন,
“রাকসুকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা হবে আমার প্রথম দাবি। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, আবাসন, লাইব্রেরি সংস্কার এবং মানসম্মত গবেষণা পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য রাকসুকে সক্রিয় করা হবে। রাকসুকে কেন্দ্র করে একটি শিক্ষার্থী-অধিকারভিত্তিক আন্দোলনধর্মী কাঠামো তৈরি করতে চাই।”

ভিপি প্রার্থী মাহবুব আলম বলেন,
“রাকসু নির্বাচিত হলে আমার প্রথম কাজ হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া। পাশাপাশি আমরা একটি ১৫ বছরের মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করব যাতে আবাসন সংকট খাদ্যের মানোন্নয়ন, চিকিৎসা সুবিধা, ও বিভাগভিত্তিক সমস্যা সমাধান অন্তর্ভুক্ত থাকবে। প্রতিটি বিভাগে একজন করে প্রতিনিধি রেখে রাকসুর সব দাবি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেব।”

স্বতন্ত্র প্রার্থী নূরুল্লাহ নূর বলেন, “আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাবলিক ও প্রাইভেট পলিসি তৈরি করব, যাতে শিক্ষার্থীদের মৌলিক সমস্যাগুলো সমাধান হয়। মাদক প্রতিরোধে এন্টি-ড্রাগ ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম চালু করা হবে, এবং দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি ও আর্থিক সহায়তা তহবিল গঠন করা হবে। রাকসুকে শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনের সমস্যার সঙ্গে যুক্ত করে একটি সামাজিক দায়িত্বশীল প্ল্যাটফর্মে পরিণত করতে চাই।”

রাণীশংকৈলে নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বৈশাখী মেলার  উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৯:৪৯ পূর্বাহ্ণ
রাণীশংকৈলে নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বৈশাখী মেলার  উদ্বোধন

জেলা প্রতিনিধি :বাংলার হাজার বছরের লোকজ ঐতিহ্য, গ্রামীণ সংস্কৃতি ও উৎসবের চিরচেনা আবহে প্রাণ ফিরে পেয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা।

বর্ণিল আয়োজন, মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং হাজারো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী ৩৩তম বৈশাখী মেলা।

সোমবার (১১ মে) রাত ৯টায় পৌর শহরের ডিগ্রি কলেজ মাঠে ১০ দিনব্যাপী এ মেলার আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করা হয়। পৌর বিএনপির সভাপতি ও মেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শাহাজাহান আলীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মেলার মূল ফটকে ফিতা কেটে এবং মাঠের ভেতরে বর্ণিল বেলুন উড়িয়ে ঐতিহাসিক এ মেলার উদ্বোধন করেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সাবেক সাংসদ জাহিদুর রহমান।

ঠাকুরগাঁওয়ে টুম্পা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনে অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে টুম্পা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনে অনিয়মের অভিযোগ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া ইউনিয়নের ঘনি বিষ্ণপুর এলাকার বাসিন্দা মোছা:টুম্পা মনি পিতা:- মোঃ সাদেকুল ইসলাম

মাতা:- মোছাঃ আসমা বেগম
জন্মতারিখ- ২২/১০/১৯৯৩
ঠিকানা:- ঘনি বিষ্ণপুর, রুহিয়া, ঠাকুরগাঁও

লাস্যময়ী টুম্পা মনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দোকানদার এবং কি ধনী লোককে ফাঁদে ফেলে টাকা নিয়ে টাকা আর দেয় না।টাকা চাইলে পরবর্তীতে উল্টা আরো হুমকি ধামকি দেয়।
এই মহিলা কে বিভিন্নভাবে আবু নামে একজন সহযোগিতা করে আসছে। এদের বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন সময় কয়েকজন ব্যবসায়ী ও স্থানীয় ব্যক্তি আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন।
স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ নেওয়ার পর তা ফেরত না দেওয়া এবং টাকা ফেরত চাইলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক লিখিত অভিযোগ বা প্রশাসনিক তদন্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে এলাকাবাসীর একাংশ বলছেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত টুম্পার সাথে বার বার যোগাযোগ করা হলেও টুম্পা এব্যাপার এ কোন বক্তব্য দিতে রাজী হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা জনমাধ্যমে অভিযোগ প্রকাশের আগে যথাযথ প্রমাণ ও আইনি প্রক্রিয়ার অনুসরণ জরুরি। তারা বলছেন, এতে যেমন প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে, তেমনি কারও সম্মানহানির ঝুঁকিও কমবে।
প্রশাসনের প্রতি এলাকাবাসীর আহ্বান অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

ডাসারে গ্রাম আদালতের ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ‎​

এস এম সোহাগ কাজী মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধ
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৬:৫০ অপরাহ্ণ
ডাসারে গ্রাম আদালতের ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ‎​

মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলায় ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়)’ প্রকল্পের অধীনে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরদের নিয়ে ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১১ মে) সকালে উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

‎​উপজেলা গ্রাম আদালত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাকিয়া সুলতানা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, “গ্রাম আদালতের সকল নথি ও রেজিস্টার সর্বদা হালনাগাদ রাখতে হবে। আমি নিজে এখন থেকে নিয়মিত প্রতিটি ইউনিয়ন পরিদর্শন করে এই নথিগুলো যাচাই করব।”

‎​ইউএনও আরও জোর দিয়ে বলেন, গ্রাম আদালতের এখতিয়ারভুক্ত কোনো মামলা বাইরে সালিশ করা যাবে না। সকল বিচারিক কার্যক্রম ইউনিয়ন পরিষদের নির্ধারিত এজলাসেই সম্পন্ন করতে হবে। সাধারণ মানুষকে গ্রাম আদালত সম্পর্কে সচেতন করতে স্থানীয় হাট-বাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘আউটরিচ’ কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেন তিনি। প্রতি মাসে অন্তত পাঁচটি করে মামলা নিষ্পত্তির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশকে তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে যাতে সাধারণ মানুষ দ্রুত ও সঠিক বিচার পায়।

‎​সভায় প্রকল্পের ডাসার ও কালকিনি উপজেলা কো-অর্ডিনেটর নাসির উদ্দিন লিটন বিগত তিন মাসের (জানুয়ারি ২০২৬ হতে মার্চ ২০২৬) কার্যক্রমের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি জানান, গত তিন মাসে ডাসার উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে মোট ৫২টি মামলা দায়ের হয়েছে এবং ৫২টি মামলাই সফলভাবে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে সর্বমোট ১২ লাখ ৭৭ হাজার টাকা আদায় করে দেওয়া হয়েছে।

‎​বিগত তিন মাসে ১৮টি মামলা নিষ্পত্তি করে বিশেষ কৃতিত্ব দেখানোর জন্য বালিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব সহকারীকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

‎​”অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে, সঠিক বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে”— এই স্লোগানকে সামনে রেখে প্রান্তিক মানুষের বিচারিক সেবা নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।