খুঁজুন
রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

দুর্গাপুরে ঘাতকের নির্মমতায় এতিম দুই শিশু, অসহায় পরিবারের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ

মামুন রণবীর | নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ২:০৩ পূর্বাহ্ণ
দুর্গাপুরে ঘাতকের নির্মমতায় এতিম দুই শিশু, অসহায় পরিবারের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ

নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলায় ঘাতকের নির্মমতায় প্রাণ হারানো ওয়াহিদুল ইসলাম কেলিসের পরিবার বর্তমানে অসহায় অবস্থায় দিন পার করছে। তার এতিম দুই শিশু আব্দুল্লাহ ও আলিফকে নিয়ে স্ত্রী মাহমুদা পড়েছেন মহা দুশ্চিন্তায়। পরিবারের একমাত্র উপার্জনশীল ব্যক্তিকে হারিয়ে অসহায় পরিবারটির ভবিষ্যৎ আজ চরম অনিশ্চিত।

মঙ্গলবার (৫ মে) কেলিসের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেল তার সাড়ে তিন বছর বয়সী শিশু আব্দুল্লাহ বারবার বাবাকে ডাকছে। বাবাকে কাছে না পেয়ে খুব কান্না করছে। অপর সন্তান ১৯ মাস বয়সী আলিফ তার মায়ের কোলে বসে ফ্যালফ্যাল করে সবার দিকে তাকাচ্ছে। কি ঘটেছে তা বোঝার বয়স এখনো তার হয়নি।

গত শনিবার (২ মে) রাতে দুর্গাপুর পৌর শহরের তেরিবাজার এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নূর মোহাম্মদ নামের এক মাদকাসক্ত যুবকের ছুরিকাঘাতে ওয়াহিদুল ইসলাম কেলিস গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু ঘটে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, শনিবার রাত ১১টার দিকে তেরিবাজার এলাকায় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে নূর মোহাম্মদ, ওয়াহিদুল ইসলাম কেলিসকে ছুরিকাঘাত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে ৷ পরে রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেলে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। এই ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই পুলিশ নূর মোহাম্মদকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

এদিকে কেলিসের এই মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় দুর্গাপুরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার পরিবার বর্তমানে খুব সংকটাপন্ন অবস্থায় দিনাতিপাত করছে। কেলিসের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার বিলাপ করতে করতে বলেন, স্বামীকে হারিয়ে আমি আজ অসহায়। দুই অবুঝ সন্তান নিয়ে অকুল পাথারে পড়েছি। কিভাবে চলবো, সন্তানদের কিভাবে খাওয়াবো, কিভাবে তাদের মানুষ করবো জানি না। এতো কষ্ট আমি কাকে বলবো?

মাহমুদা যখন কান্নাজড়িত গলায় কথাগুলো বলছিলেন তখন তার দুই সন্তানও কাঁদছিলো। কাঁদছিলেন আশপাশে থাকা সকলেই। মাহমুদা বলেন, আমার স্বামীকে যে হত্যা করেছে আমি তার বিচার চাই।

কেলিস দুর্গাপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করতেন। তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে কেন্দ্রীয় কবরস্থান কমিটি। কমিটির পক্ষ থেকে তার পরিবারের হাতে জরুরি খাদ্য সহায়তা ও নগদ অর্থ তুলে দেয়া হয়।

কবরস্থান কমিটির উপদেষ্টা ও তেরি বাজার বড় মসজিদের খতিব হযরত মাওলানা আব্দুর রব এই ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এমন মর্মান্তিক ঘটনায় আমরা সবাই হতবাক এবং শোকস্তব্ধ। কেলিসকে যে বা যারা এভাবে মেরেছে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাই। সেই সাথে সমাজের সকলের প্রতি আহ্বান জানাই এই অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়ান।

স্থানীয় বাসিন্দা হাজী কাশেম মড়ল বলেন, কেলিস শুধু একজন স্বেচ্ছাসেবক ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমাদের কবরস্থানের প্রাণ। দিন-রাত মানুষের শেষ বিদায়ে তিনি নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছেন। আজ তার পরিবারের দায়িত্ব নেওয়া আমাদের নৈতিক আমানত।

কবরস্থান কমিটির সভাপতি ওমর ফারুক হাওলাদার বলেন, কেলিসের সন্তানদের শিক্ষা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য একটি স্থায়ী তহবিল গঠন করা খুব জরুরি, যেন পরিবারটি দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক নিরাপত্তা পায়। তার সন্তানদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ গঠনে আমরা সরকারের কাছে আহ্বান জানাই, দয়া করে পরিবারটির পাশে দাঁড়ান।

স্থানীয় সংগঠক সাখাওয়াত হোসেন সজীব বলেন, এই মর্মান্তিক ঘটনায় পরিবারটি প্রায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। আমরা সকলে তাদের পাশে দাঁড়ালে তারা আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। সরকার এবং সমাজের সকলের কাছে আকুল আবেদন কেলিসের পরিবারকে সহযোগিতা করুন। আমরা কেলিস হত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।

দুর্গাপুর পৌর শহরে এই হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এলাকার সাধারণ মানুষের উদ্যোগে হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এলাকাবাসী সকলেই বিচারের দাবিতে সোচ্চার অবস্থানে রয়েছেন।

প্রথমবারের মতো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসি উদ্বোধন

ফারিহা তাহসীন রাইসা, রাবি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ণ
প্রথমবারের মতো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসি উদ্বোধন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (রাকসুর) উদ্যোগে ক্যাম্পাসে প্রথমবারের মতো একটি ফার্মেসির উদ্বোধন করা হয়েছে।

এতে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরেই নিত্যপ্রয়োজনীয় সব ধরনের ওষুধ কিনতে পারবেন।

শুক্রবার (৮মে) বিকেল সাড়ে ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবলিশ চত্বর সংলগ্ন এলাকায় এ ফার্মেসির উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনকালে রাকসুর এজিএস সালমান সাব্বির বলেন, ‌‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ৭২ বছরেও প্রশাসন পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল সেবা নিশ্চিত করতে পারেনি। এমনকি ক্যাম্পাসের ভেতরে একটিও ফার্মেসি ছিল না। আমাদের ইশতেহারে ছিল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি ফার্মেসি স্থাপন করা। আমরা রাকসুর উদ্যোগে ফার্মেসি চালু করতে সক্ষম হয়েছি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতায় এবং রাকসুর উদ্যোগে আজ ক্যাম্পাসের ভেতরে একটি ফার্মেসি চালু হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে এমন একটি স্থানে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, যেখানে ছাত্রীদের সহজ যাতায়াত ও ওষুধ সংগ্রহের সুবিধা নিশ্চিত হবে।’

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন খান বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকলেও একটি ফার্মেসির অভাব ছিল, যা সত্যিই একটি অপূর্ণতা ছিল। আজ সেই অপূর্ণতার পূর্ণতা পেল।’

নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস

ফারিহা তাহসিন রাইসা, রাবি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৫- ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে রাবি ক্যাম্পাস। নতুন পরিবেশ, নতুন স্বপ্ন এবং বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম দিনের অভিজ্ঞতাকে ঘিরে তাদের চোখেমুখে ছিল উচ্ছ্বাস আর কৌতূহলের ছাপ।

রবিবার (১০ মে) সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে নবীনদের আনাগোনা ছিল চোখে পড়ার মতো। সকাল ১০টায় বিভিন্ন অনুষদ ও বিভাগের সামনে তাদের সঙ্গে অভিভাবকদেরও দেখা যায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীর সংখ্যাও বাড়তে থাকে।

ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, নবীনদের আগমনে নতুন রূপ ধারণ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার, প্যারিস রোড, টুকিটাকি চত্বর, আম চত্বর, পরিবহন মার্কেট, ইবলিশ চত্বরসহ বিভিন্ন জায়গায় নতুন-পুরোনো শিক্ষার্থীদের আড্ডা ছিল লক্ষণীয়।

প্রথন দিনের অনুভূতি জানতে চাইলে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী সালমান আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন পরিবেশ আমাদের জন্য অনেক আনন্দ আর উচ্ছ্বাসের। তবে এখানে আসার পথটা আমার জন্য সহজ ছিল না। ভর্তির শুরুটা ছিল বেশ কঠিন। প্রথমবার চান্স না পাওয়ায় ভীষণ হতাশায় পড়েছিলাম। সেই হতাশা কাটিয়ে দ্বিতীয়বার চেষ্টা করি, আর তখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাই।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী রিফাত বলেন, দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান শেষ আমি আজকে আমার জীবন নতুন যাত্রা শুরু করলাম, অনেক কষ্ট আর পরিশ্রমের মাধ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে অর্জন করতে পেরেছি। বিভাগের শিক্ষক , বড় ভাই বোন খুবই আন্তরিক। আমি আশা করছি আমার লক্ষ অর্জন করতে সক্ষম হবো।

ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষার্থী ফরহাদ রেজা বলেন, রাবি আমার কাছে ভালো লাগার ক্যাম্পাস। আমি এর আগেও এসেছি তখন থেকেই রাবির প্রতি আমার আলাদাভাবে ভালোলাগা শুরু হয়েছে। আমার আরো কিছু বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছিলো কিন্তু রাবিকেই আমি চয়েস হিসেবে নিয়েছি। ভালোভাবে পড়াশোনা করে বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আজকের দিনটি শুরু করতে যাচ্ছি

ব্যাংকিং এন্ড ইন্সুরেন্স বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী রাশেদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম দিন আসলেই ভালো লাগতেছে। ভিতর থেকে কেমন যে এক অজানা উদ্দিপনা কাজ করতেছে, আমিও এখন থেকে ০এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। চারদিকে নতুনত্ব, নতুন বন্ধু, নতুন পরিবেশ, নতুন একটা পরিবারের মতো লাগছে।

নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমান বলেন, ক্যাম্পাসে নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাই, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন তাদের মধুর হোক। একইসাথে আমি সর্তক করে দিতে চাই র‍্যাগিং আইনত দণ্ডনীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী এতে জড়ালে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সবাইকে সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ভর্তি প্রক্রিয়া শেষে আজ (১০ ম) বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ক্লাস শুরু হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে টুম্পা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনে অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে টুম্পা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনে অনিয়মের অভিযোগ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া ইউনিয়নের ঘনি বিষ্ণপুর গ্রামের সাদেকুল ইসলামের মেয়ে টুম্পা মনির বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে |

লাস্যময়ী টুম্পা মনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দোকানদার এবং কি ধনী লোককে ফাঁদে ফেলে টাকা নিয়ে টাকা আর দেয় না।টাকা চাইলে পরবর্তীতে উল্টা আরো হুমকি ধামকি দেয়।
এই মহিলা কে বিভিন্নভাবে আবু নামে একজন সহযোগিতা করে আসছে। এদের বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন সময় কয়েকজন ব্যবসায়ী ও স্থানীয় ব্যক্তি আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন।
স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ নেওয়ার পর তা ফেরত না দেওয়া এবং টাকা ফেরত চাইলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক লিখিত অভিযোগ বা প্রশাসনিক তদন্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে এলাকাবাসীর একাংশ বলছেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত টুম্পার সাথে বার বার যোগাযোগ করা হলেও টুম্পা এব্যাপার এ কোন বক্তব্য দিতে রাজী হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা জনমাধ্যমে অভিযোগ প্রকাশের আগে যথাযথ প্রমাণ ও আইনি প্রক্রিয়ার অনুসরণ জরুরি। তারা বলছেন, এতে যেমন প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে, তেমনি কারও সম্মানহানির ঝুঁকিও কমবে।
প্রশাসনের প্রতি এলাকাবাসীর আহ্বান অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।