খুঁজুন
বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৩০ বৈশাখ, ১৪৩৩

দুমকীতে রাস্তা থেকে উঠিয়ে নিয়ে কলেজ ছাত্রীকে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

মোঃ রিয়াজুল ইসলাম | স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
দুমকীতে রাস্তা থেকে উঠিয়ে নিয়ে কলেজ ছাত্রীকে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

জুলাই বিপ্লবে পুলিশের গুলিতে নিহত পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার জসিম উদ্দিনের মেয়ে লামিয়া আক্তারকে(১৭) রাস্তা থেকে উঠিয়ে নিয়ে মুখ চেপে সংঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যার পরে উপজেলার পাঙ্গাসিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের পশ্চিম আলগী গ্রামে মৃত. জলিল মুন্সির ভিটা বাগানে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন- পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের আলগী গ্রামের মৃত. মামুন মুন্সির ছেলে সাকিব মুন্সি এবং সোহাগ মুন্সির ছেলে সিফাত মুন্সি। অভিযুক্ত সাকিব মুন্সি সরকারি জনতা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ও অভিযুক্ত সিফাত স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণির ছাত্র। সাকিব মুন্সিকে পুলিশ আটক করলেও পলাতক রয়েছে সিফাত মুন্সি।

ভুক্তভোগী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় উপজেলার পাঙ্গাসিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে জুলাই বিপ্লবে নিহত জসীম উদ্দীনের মেয়ে লামিয়া তার বাবার কবর জিয়ারত শেষে নানার বাড়ি পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডে যাচ্ছিলেন। পথে নলদোয়ানী থেকে অভিযুক্তরা পিছু নেয়। হঠাৎ মুখ চেপে ধরে পার্শ্ববর্তী জলিল মুন্সির ভিটা বাগানে নিয়ে যায় সাকিব ও সিফাত। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ভুক্তভোগীকে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণ করে উলঙ্গ ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয় তারা।

পরে আজ বুধবার ভুক্তভোগী নিজে দুমকি থানায় অভিযোগ দায়ের করলে এবং সরেজমিন পরিদর্শন শেষে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য লামিয়াকে পটুয়াখালী সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠায় পুলিশ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুমকী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) জাকির হোসেন একুশে বার্তাকে জানান, এ ঘটনায় দুমকী থানায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন। একজনকে আটক করা হলেও অপর অভিযুক্তকে গ্রেফতারের অভিযান চলছে।

 

রাণীশংকৈলে নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বৈশাখী মেলার  উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৯:৪৯ পূর্বাহ্ণ
রাণীশংকৈলে নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বৈশাখী মেলার  উদ্বোধন

জেলা প্রতিনিধি :বাংলার হাজার বছরের লোকজ ঐতিহ্য, গ্রামীণ সংস্কৃতি ও উৎসবের চিরচেনা আবহে প্রাণ ফিরে পেয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা।

বর্ণিল আয়োজন, মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং হাজারো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী ৩৩তম বৈশাখী মেলা।

সোমবার (১১ মে) রাত ৯টায় পৌর শহরের ডিগ্রি কলেজ মাঠে ১০ দিনব্যাপী এ মেলার আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করা হয়। পৌর বিএনপির সভাপতি ও মেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শাহাজাহান আলীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মেলার মূল ফটকে ফিতা কেটে এবং মাঠের ভেতরে বর্ণিল বেলুন উড়িয়ে ঐতিহাসিক এ মেলার উদ্বোধন করেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সাবেক সাংসদ জাহিদুর রহমান।

ঠাকুরগাঁওয়ে টুম্পা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনে অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে টুম্পা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনে অনিয়মের অভিযোগ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া ইউনিয়নের ঘনি বিষ্ণপুর এলাকার বাসিন্দা মোছা:টুম্পা মনি পিতা:- মোঃ সাদেকুল ইসলাম

মাতা:- মোছাঃ আসমা বেগম
জন্মতারিখ- ২২/১০/১৯৯৩
ঠিকানা:- ঘনি বিষ্ণপুর, রুহিয়া, ঠাকুরগাঁও

লাস্যময়ী টুম্পা মনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দোকানদার এবং কি ধনী লোককে ফাঁদে ফেলে টাকা নিয়ে টাকা আর দেয় না।টাকা চাইলে পরবর্তীতে উল্টা আরো হুমকি ধামকি দেয়।
এই মহিলা কে বিভিন্নভাবে আবু নামে একজন সহযোগিতা করে আসছে। এদের বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন সময় কয়েকজন ব্যবসায়ী ও স্থানীয় ব্যক্তি আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন।
স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ নেওয়ার পর তা ফেরত না দেওয়া এবং টাকা ফেরত চাইলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক লিখিত অভিযোগ বা প্রশাসনিক তদন্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে এলাকাবাসীর একাংশ বলছেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত টুম্পার সাথে বার বার যোগাযোগ করা হলেও টুম্পা এব্যাপার এ কোন বক্তব্য দিতে রাজী হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা জনমাধ্যমে অভিযোগ প্রকাশের আগে যথাযথ প্রমাণ ও আইনি প্রক্রিয়ার অনুসরণ জরুরি। তারা বলছেন, এতে যেমন প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে, তেমনি কারও সম্মানহানির ঝুঁকিও কমবে।
প্রশাসনের প্রতি এলাকাবাসীর আহ্বান অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

ডাসারে গ্রাম আদালতের ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ‎​

এস এম সোহাগ কাজী মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধ
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৬:৫০ অপরাহ্ণ
ডাসারে গ্রাম আদালতের ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ‎​

মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলায় ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়)’ প্রকল্পের অধীনে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরদের নিয়ে ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১১ মে) সকালে উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

‎​উপজেলা গ্রাম আদালত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাকিয়া সুলতানা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, “গ্রাম আদালতের সকল নথি ও রেজিস্টার সর্বদা হালনাগাদ রাখতে হবে। আমি নিজে এখন থেকে নিয়মিত প্রতিটি ইউনিয়ন পরিদর্শন করে এই নথিগুলো যাচাই করব।”

‎​ইউএনও আরও জোর দিয়ে বলেন, গ্রাম আদালতের এখতিয়ারভুক্ত কোনো মামলা বাইরে সালিশ করা যাবে না। সকল বিচারিক কার্যক্রম ইউনিয়ন পরিষদের নির্ধারিত এজলাসেই সম্পন্ন করতে হবে। সাধারণ মানুষকে গ্রাম আদালত সম্পর্কে সচেতন করতে স্থানীয় হাট-বাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘আউটরিচ’ কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেন তিনি। প্রতি মাসে অন্তত পাঁচটি করে মামলা নিষ্পত্তির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশকে তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে যাতে সাধারণ মানুষ দ্রুত ও সঠিক বিচার পায়।

‎​সভায় প্রকল্পের ডাসার ও কালকিনি উপজেলা কো-অর্ডিনেটর নাসির উদ্দিন লিটন বিগত তিন মাসের (জানুয়ারি ২০২৬ হতে মার্চ ২০২৬) কার্যক্রমের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি জানান, গত তিন মাসে ডাসার উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে মোট ৫২টি মামলা দায়ের হয়েছে এবং ৫২টি মামলাই সফলভাবে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে সর্বমোট ১২ লাখ ৭৭ হাজার টাকা আদায় করে দেওয়া হয়েছে।

‎​বিগত তিন মাসে ১৮টি মামলা নিষ্পত্তি করে বিশেষ কৃতিত্ব দেখানোর জন্য বালিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব সহকারীকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

‎​”অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে, সঠিক বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে”— এই স্লোগানকে সামনে রেখে প্রান্তিক মানুষের বিচারিক সেবা নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।