খুঁজুন
সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৬ মাঘ, ১৪৩২

কালরাতের বজ্রকণ্ঠ: শহীদ জিয়ার স্মরণে ছাত্রনেতা মো. লতিফুর রহমানের অমর কবিতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ মে, ২০২৫, ৯:৫২ অপরাহ্ণ
কালরাতের বজ্রকণ্ঠ: শহীদ জিয়ার স্মরণে ছাত্রনেতা মো. লতিফুর রহমানের অমর কবিতা

রাজশাহী: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে নিউ গভমেন্ট ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের অন্যতম বিপ্লবী ও মানবিক ছাত্রনেতা, কবি ও সাহিত্যিক মো. লতিফুর রহমান এক আবেগঘন কবিতা রচনা করেছেন। “কালরাতের বজ্রকণ্ঠ” শিরোনামের এই কবিতাটিতে তিনি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ভূমিকা, দেশপ্রেম এবং জনগণের প্রতি গভীর মমত্ববোধের চিত্র তুলে ধরেছেন।
কবিতার শুরুতেই কবি লতিফুর রহমান ১৯৭১ সালের কালো রাতে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে জিয়ার ঐতিহাসিক স্বাধীনতা ঘোষণার বজ্রকণ্ঠকে স্মরণ করেছেন। “আমি মেজর জিয়া বলছি” – এই ঘোষণার মাধ্যমেই যেন সারা বাংলায় মুক্তিযুদ্ধের দামামা বেজে উঠেছিল, এমন অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে কবিতাটিতে।
এরপর কবি জিয়াউর রহমানকে একজন নির্ভীক সেনাপতি ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে তুলে ধরেছেন, যিনি স্বাধীনতা সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং বীরত্বের জন্য “বীর উত্তম” খেতাব অর্জন করেছিলেন। কবিতায় কবি লতিফুর রহমান জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বকে একনায়কের শাসনের ভিত্তি ধ্বংসকারী এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
“সৈনিক থেকে শ্রমিক নেতা, হাতে নিয়েছিলে কোদাল, আমজনতার কাতারে মিশেছিলে যেন রাখাল” – এই পঙ্ক্তিতে কবি জিয়াউর রহমানের সাধারণ মানুষের সাথে মিশে যাওয়ার এবং তাদের কল্যাণে কাজ করার দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন। খাল খনন, ক্ষুধার্তের অন্নদান এবং কৃষকের সম্মান বৃদ্ধির মতো কাজের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান কীভাবে নতুন জীবনের ধারা নিয়ে এসেছিলেন, তা কবি লতিফুর রহমানের কবিতায় মূর্ত হয়ে উঠেছে।
কবিতায় জিয়াউর রহমানকে আধুনিক বাংলা গড়ার স্বপ্নদ্রষ্টা এবং ভবিষ্যতের ভোর উন্মোচনকারী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তারুণ্যের ভালোবাসা ও অগণিত হৃদয়ের অনন্ত পিপাসা হিসেবে তিনি আজও মানুষের মাঝে বেঁচে আছেন বলে কবি মনে করেন। সততা ও দরিদ্রের সম্রাট হিসেবে জিয়াউর রহমানের গুণাবলী কবিতায় বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে।
কবি লতিফুর রহমান জিয়াউর রহমানকে একজন আদর্শ পিতা, ভক্ত স্বামী এবং কর্তব্যপরায়ণ কবি হিসেবেও দেখেছেন। কর্মঠ, সময়নিষ্ঠ ও দূরদর্শী এই নেতা ঘুম জাগানো পাখির মতো জাতিকে প্রেরণা জুগিয়েছিলেন বলে কবি উল্লেখ করেছেন। তার ডাকে মন্ত্রী ও কর্মচারীরা কর্মচাঞ্চল্য ফিরে পেয়েছিলেন এবং উন্নতির পথে ধাবিত হয়েছিলেন। উনিশ দফা কর্মসূচি ও জাতীয়তাবাদের পতাকাবাহী হিসেবে জিয়াউর রহমান নারীর সম অধিকারের দীক্ষাও দিয়েছিলেন বলে কবিতায় উল্লেখ করা হয়েছে।
কৃষকের বন্ধু এবং অকৃত্রিম সহযোগী হিসেবে জিয়াউর রহমানের অবদান কবি লতিফুর রহমানের কবিতায় গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়েছে। কবি বিশ্বাস করেন, জিয়াউর রহমানের আদর্শ চিরকাল অনুকরণীয় এবং তিনি সাধারণ মানুষের হৃদয়ে চিরস্থায়ী সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত থাকবেন।
পরিশেষে, কবি লতিফুর রহমান গভীর বেদনার সাথে জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ড এবং এর পরবর্তী প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেছেন। ঘাতকের প্রতিহিংসার বিপরীতে জিয়াউর রহমানের বুকের রক্তকণা যেন সবুজ শাড়িতে মহিমান্বিত বাংলার বধূ এবং কপালে আঁকা লাল সূর্যের জন্ম দিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
“স্বর্ণাক্ষরে লেখা রবে তোমার পবিত্র নাম, ‘জিয়াউর রহমান’, তুমি বাংলার শ্রেষ্ঠতম” – এই দৃঢ় উচ্চারণের মাধ্যমে কবি মো. লতিফুর রহমান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জ্ঞাপন করেছেন এবং তাকে বাংলার শ্রেষ্ঠতম হিসেবে অভিহিত করেছেন। কবিতাটি জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি এক আন্তরিক ও শক্তিশালী শ্রদ্ধার্ঘ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

কালরাতের বজ্রকণ্ঠ-

মার্চের কালো রাতে তুমি ছিলে বিদ্রোহী হুঙ্কার,
কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে স্বাধীনতা ঘোষণার ঝঙ্কার।
“আমি মেজর জিয়া বলছি” – এই বজ্রকণ্ঠের ধ্বনি,
বাংলার প্রান্তে প্রান্তে জাগালো যুদ্ধের রণভেরী।

শত্রুর সম্মুখে তুমি ছিলে নির্ভীক সেনাপতি,
জেড ফোর্সের অধিনায়ক, বীরত্বের জ্যোতি।
স্বাধীনতা সংগ্রামে তুমি ছিলে অগ্রগামী নেতা,
“বীর উত্তম” খেতাব তোমার, জনতার শ্রদ্ধা ও মমতা।

ভেঙেছিলে একনায়কের শাসনের ভিত্তি,
গড়েছিলে বহুদলীয় গণতন্ত্রের ভীতি।
সৈনিক থেকে শ্রমিক নেতা, হাতে নিয়েছিলে কোদাল,
আমজনতার কাতারে মিশেছিলে যেন রাখাল।

খালে এনেছিলে নতুন জীবনের ধারা,
দিয়েছিলে ক্ষুধার্তের অন্ন, কৃষকের সম্মান বাড়া।
আধুনিক বাংলা গড়ার স্বপ্নে ছিলে বিভোর,
ধাপে ধাপে হেঁটেছিলে ভবিষ্যতের ভোর।

তুমি ছিলে মহানায়ক, তারুণ্যের ভালোবাসা,
অগণিত হৃদয়ে তুমি অনন্ত পিপাসা।
সততার উজ্জ্বল প্রতীক তুমি ছিলে ধ্রুব,
রাজভান্ডারের রক্ষক, দরিদ্র সম্রাট রুদ্র।

আদর্শ পিতার প্রতিচ্ছবি, ভক্ত স্বামীর ছবি,
নও তুমি রাজা-মহারাজা, ছিলে কর্তব্যরত কবি।
কর্মঠ, সময়নিষ্ঠ, ছিলে দূরদর্শী নেতা,
ঘুম জাগানো পাখির মতো, প্রেরণার প্রণেতা।

তোমার ডাকে জেগেছিল মন্ত্রী, রাজ্যের কর্মচারী,
সচল হয়েছিল কর্মের চাকা, উন্নতির সারথি।
উনিশ দফার রূপকার, জাতীয়তাবাদের ধ্বজা,
নারীকে দিয়েছিলে সম অধিকারের দীক্ষা।

কৃষকের বন্ধু তুমি, দিয়েছিলে সহযোগিতা অপার,
চির উন্নত মমশির, তুমি স্মৃতিতে অম্লান রবার।
তোমার আদর্শ চির অনুকরণীয়, হে মহান,
আমজনতার হৃদয়ে তুমি অটুট সম্মান।

প্রতিহিংসার আগুনে পুড়েছে ঘাতকের মন,
তোমার বুকের রক্তকণা জন্ম দিয়েছে অগণন।
সবুজ শাড়িতে মহিমান্বিত বাংলার বধূ,
কপালে আঁকা লাল সূর্য, তুমি ছিলে সে সিন্ধু।

স্বর্ণাক্ষরে লেখা রবে তোমার পবিত্র নাম,
“জিয়াউর রহমান”, তুমি বাংলার শ্রেষ্ঠতম।

এশিয়ান টেলিভিশনের নতুন চেয়ারম্যান রূপায়ন গ্রুপের লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল ​

এস এম সোহাগ কাজী মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:১৬ অপরাহ্ণ
এশিয়ান টেলিভিশনের নতুন চেয়ারম্যান রূপায়ন গ্রুপের লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল ​

বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এশিয়ান টিভি-র পরিচালনা পর্ষদের নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রূপায়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) এশিয়ান টেলিভিশনের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​পর্ষদ সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত

​এশিয়ান টেলিভিশনের কার্যালয়ে আয়োজিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় টেলিভিশনটির সকল কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মো. লিয়াকত আলী খাঁন মুকুলকে চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সভায় উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ আশা প্রকাশ করেন যে, তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এশিয়ান টেলিভিশন গণমাধ্যম জগতে আরও সাফল্যের সঙ্গে এগিয়ে যাবে।

​বর্ণাঢ্য কর্মজীবন ও নেতৃত্ব

​নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল দেশের আবাসন খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান রূপায়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও গণমাধ্যম ও ব্যবসায়ী মহলে তার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। তিনি বর্তমানে:

​জাতীয় দৈনিক দেশ রূপান্তর-এর চেয়ারম্যান।

​দেশ রেডিও-র চেয়ারম্যান।

​অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স (অ্যাটকো)-এর একজন নির্বাচিত পরিচালক।

​আবাসন ও গণমাধ্যম খাতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই ব্যক্তিত্ব এশিয়ান টেলিভিশনের হাল ধরায় প্রতিষ্ঠানের কর্মীবাহিনী ও দর্শকদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তার সৃজনশীল নেতৃত্বে এশিয়ান টেলিভিশন তথ্য ও বিনোদনের মাধ্যমে দেশের মানুষের আরও কাছাকাছি পৌঁছাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

২১৪ বছরের লড়াই শেষে পাওয়া লাল-সবুজ পতাকায় আর শোষণ দেখতে চাই না: আল্লামা মামুনুল হক

এস এম সোহাগ কাজী মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ণ
২১৪ বছরের লড়াই শেষে পাওয়া লাল-সবুজ পতাকায় আর শোষণ দেখতে চাই না: আল্লামা মামুনুল হক

মাদারীপুর বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মাদারীপুর জেলা শাখার উদ্যোগে ১১-দলীয় ঐক্যজোটের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) মাদারীপুরে আয়োজিত এই বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক।

​শোষণের বিরুদ্ধে ২১৪ বছরের সংগ্রাম

​বক্তব্যের শুরুতে আল্লামা মামুনুল হক বাংলাদেশের স্বাধীনতার দীর্ঘ প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমরা যে লাল-সবুজের পতাকা পেয়েছি, তা দীর্ঘ ২১৪ বছরের সংগ্রামের ফসল। ১৯০ বছর ইংরেজদের বিরুদ্ধে, ১০০ বছর কোলকাতার দাদাবাবুদের প্রথা ও দিল্লির আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এবং ২৪ বছর পাকিস্তানের পিন্ডির খান বাহাদুরদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়েছে।”

​তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, “মানুষ ভেবেছিল ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা পেলে শান্তিতে থাকবে। কিন্তু স্বাধীনতার ৫৪ বছরে শুধু শাসক বদলেছে, শোষক বদলায়নি। স্বদেশী শাসকদের হাতেই এদেশের মানুষ গত ১৭ বছর অত্যাচারিত ও শোষিত হয়েছে, হারিয়েছে ভাত ও ভোটের অধিকার।”

​জুলাই বিপ্লব ও বর্তমান প্রেক্ষাপট

​২০২৪ সালের রক্তঝরা জুলাই বিপ্লবকে ইতিহাসের এক অনন্য মোড় হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “যখন পিঠ দেয়ালে ঠেকে যায়, তখনই ৪ কোটি ছাত্র-ছাত্রী রাজপথে নেমে আসে। প্রায় দেড় হাজার শহীদের রক্ত আর হাজার হাজার ছাত্রের পঙ্গুত্বের বিনিময়ে আমরা স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি। এই অর্জনকে নস্যাৎ করতে পর্দার আড়ালে এখনো ষড়যন্ত্র চলছে। কিন্তু এ দেশে আর কখনোই ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরতন্ত্রকে ফিরতে দেওয়া হবে না।”

​১১-দলীয় জোটের অঙ্গীকার ও প্রতীক হস্তান্তর

​আল্লামা মামুনুল হক জানান, ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বরং ১৮ কোটি মানুষের অধিকার নিশ্চিতে এই ১১-দলীয় জোট গঠিত হয়েছে। তিনি জোটের মূল লক্ষ্য হিসেবে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়া এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন।

​জনসভা শেষে তিনি মাদারীপুর-২ আসনের জোট প্রার্থী মাওলানা আব্দুস সোবহান খানের হাতে ‘রিকশা’ প্রতীক এবং মাদারীপুর-৩ আসনের প্রার্থী জনাব রফিকুল ইসলামের হাতে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক তুলে দিয়ে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

​উপস্থিত নেতৃবৃন্দ

​মাদারীপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মোখলেসুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন জোট প্রার্থী মাওলানা আব্দুস সোবহান খান ও রফিকুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় জামায়াত নেতা ড. খলিলুর রহমান মাদানী, জেলা সেক্রেটারি এনায়েত হোসেন, এনসিপি কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট শাকিল আহমেদ এবং খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় জোট নেতারা।

​বক্তারা আসন্ন নির্বাচনে জোট প্রার্থীদের জয়যুক্ত করে একটি বৈষম্যহীন ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার পথে সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত নেত্রকোণার কৃতি সন্তান সোমেশ্বর অলি

মামুন রণবীর | নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ণ
শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত নেত্রকোণার কৃতি সন্তান সোমেশ্বর অলি

প্রিয়তমা সিনেমার বিখ্যাত ঈশ্বর গানের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছেন গীতিকার সোমেশ্বর অলি।

গত বৃহস্পতিবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২৩ ঘোষিত হয়। এই তালিকায় শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সোমেশ্বর অলি।

হিমেল আশরাফ পরিচালিত ও আরশাদ আদনান প্রযোজিত শাকিব খান অভিনীত ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার বহুল প্রশংসিত গান ঈশ্বর।

এই গান মুক্তির পর থেকেই দর্শক শ্রোতার মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং গানটির কথার গভীরতা ও আবেগপূর্ণ প্রকাশ বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়।

ঈশ্বর গানের মাধ্যমে প্রেম, বেদনা ও আত্মসংঘাতের অনুভূতি সাবলীল ভাষায় তুলে ধরেন গীতিকার সোমেশ্বর অলি, যা সিনেমাটির গল্পকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। সেইসঙ্গে সব শ্রেণীর দর্শকদেরকে এই গান প্রিয়তমা সিনেমা দেখতে ব্যাপকভাবে অনুপ্রাণিত করে।

সোমেশ্বর অলি বলেন, রাষ্ট্রীয় এই স্বীকৃতি অনেক বড় ব্যাপার। এই প্রাপ্তি আরও বড় হয় যখন কাছের মানুষ, বন্ধু, পরিবার, সহকর্মী বা দূরের মানুষরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। ব্যক্তিগতভাবে আমি অনেক বেশি আবেগপ্রবণ মানুষ নই। সবকিছুতে ইমোশন সংযম বা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।

অলি বলেন, জুরি বোর্ডের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি, কারণ তারা অনেক গানের মধ্যে ঈশ্বরকে যোগ্য মনে করেছেন। সেই সঙ্গে পরিচালক, প্রযোজক এবং শিল্পীদেরও কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জানাই।

নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার কৃতি সন্তান সোমেশ্বর অলির এই অর্জনে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ আনন্দ ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।