খুঁজুন
রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

কলাতলীতে চাদা না পেয়ে বসতবাড়ি বাঙচুর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫, ২:৪২ অপরাহ্ণ
কলাতলীতে চাদা না পেয়ে বসতবাড়ি বাঙচুর

কলাতলীতে চাঁ’দা না পেয়ে বসতবাড়ি ভা’ঙচুর, কেয়ারটেকারের উপর হা’মলা

  • ওসমান কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি একুশে বার্তা
  • কক্সবাজার শহরতলীর ঝিংলজা ইউনিয়নস্ত কলাতলী বিকাশ বিল্ডিং এলাকায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে না পেয়ে একটি বসতভিটায় হামলা চালানো হয়েছে। এসময় নূর মোহাম্মদ নামের ওই বাড়ির কেয়ারটেকারের উপর মারাত্মক হামলা চালানো হয়েছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে দক্ষিণ ডিককুল এলাকার আবু বকরের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র লোকজন এই হামলা চালিয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন। তবে ৯৯৯ এ কল দিয়ে আরো বড় ধরণের হামলা থেকে রক্ষা পেয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এই ঘটনায় ওই বসতভিটার মালিক জিন্নাত আলী বাদি হয়ে থানায় এজাহার দায়ের করেছেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, কক্সবাজার কলেজগেইট এলাকার জানারঘোনা এলাকার আবদুল হকের পুত্র জিন্নাত আলী ২০১২ সালে কলাতলী বিকাশ বিল্ডিং এলাকায় ২৯৯৯ রেজিস্ট্রি দলিলমূলে ৫৬ শতক নিষ্টক্টক জমি ক্রয় করেন। এরপর সীমানা দেয়াল নির্মাণ করে ভিটায় বসতবাড়ি নির্মাণ করেন এবং নিরাপত্তার স্বার্থে আনসার নিয়োগ করেন। কিন্তু সম্প্রতি ঈদগাঁও ইসলামপুর নাপিতখালী এলাকার মনজুর আহমদের নেতৃত্বে মোহাম্মদ মুন্না, মহি উদ্দীন, মোজাম্মেল, মিজান, মামুন, কামাল ও কালু মিলে ভুক্তভোগী জিন্নাত আলী থেকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং চাঁদা না দিলে বসতভিটা দখলের হুমকি দেন। কিন্তু চাঁদা না পেয়ে ক্ষিপ্ত হন অভিযুক্তরা। এর জের ধরে বৃহস্পতিবার ভোরে ৪টার দিকে আবু বকরের নেতৃত্বে আকস্মিক ওই বসতভিটায় হামলা চালায়। এসময় বাধা দেয়ায় বসতভিটার কেয়ারটেকার নূর মোহাম্মদের উপর জঘন্য হামলা চালায়। অভিযুক্তরা সবাই বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে তাকে উপর্যুপরি আঘাত করে। এক পর্যায়ে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় মালিক জিন্নাত আলী। তিনি তাৎক্ষণিক জাতীয় জরুরী সেবা নং ৯৯৯ এ কল দেন। এরপর সদর মডেল থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযানে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে হামলা শিকার নূর মোহাম্মদকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বসতভিটার মালিক ভুক্তভোগী জিন্নাত আলী বলেন, আবু বকরসহ অন্যান্য অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা দাবি করে আসছেন। তাদের দাবিকৃত চাঁদা না দেয়ায় তারা বিভিন্ন সময় হত্যাসহ নানা হুমকি দিয়ে আসছিলেন। সর্বশেষ বসতভিটাটি দখলের উদ্দেশ্যে ন্যাক্কাজনক হামলা চালিয়েছে।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ইলিয়াছ খান বলেন, ‘৯৯৯ থেকে অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে একদল পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

প্রথমবারের মতো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসি উদ্বোধন

ফারিহা তাহসীন রাইসা, রাবি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ণ
প্রথমবারের মতো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসি উদ্বোধন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (রাকসুর) উদ্যোগে ক্যাম্পাসে প্রথমবারের মতো একটি ফার্মেসির উদ্বোধন করা হয়েছে।

এতে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরেই নিত্যপ্রয়োজনীয় সব ধরনের ওষুধ কিনতে পারবেন।

শুক্রবার (৮মে) বিকেল সাড়ে ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবলিশ চত্বর সংলগ্ন এলাকায় এ ফার্মেসির উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনকালে রাকসুর এজিএস সালমান সাব্বির বলেন, ‌‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ৭২ বছরেও প্রশাসন পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল সেবা নিশ্চিত করতে পারেনি। এমনকি ক্যাম্পাসের ভেতরে একটিও ফার্মেসি ছিল না। আমাদের ইশতেহারে ছিল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি ফার্মেসি স্থাপন করা। আমরা রাকসুর উদ্যোগে ফার্মেসি চালু করতে সক্ষম হয়েছি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতায় এবং রাকসুর উদ্যোগে আজ ক্যাম্পাসের ভেতরে একটি ফার্মেসি চালু হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে এমন একটি স্থানে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, যেখানে ছাত্রীদের সহজ যাতায়াত ও ওষুধ সংগ্রহের সুবিধা নিশ্চিত হবে।’

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন খান বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকলেও একটি ফার্মেসির অভাব ছিল, যা সত্যিই একটি অপূর্ণতা ছিল। আজ সেই অপূর্ণতার পূর্ণতা পেল।’

নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস

ফারিহা তাহসিন রাইসা, রাবি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৫- ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে রাবি ক্যাম্পাস। নতুন পরিবেশ, নতুন স্বপ্ন এবং বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম দিনের অভিজ্ঞতাকে ঘিরে তাদের চোখেমুখে ছিল উচ্ছ্বাস আর কৌতূহলের ছাপ।

রবিবার (১০ মে) সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে নবীনদের আনাগোনা ছিল চোখে পড়ার মতো। সকাল ১০টায় বিভিন্ন অনুষদ ও বিভাগের সামনে তাদের সঙ্গে অভিভাবকদেরও দেখা যায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীর সংখ্যাও বাড়তে থাকে।

ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, নবীনদের আগমনে নতুন রূপ ধারণ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার, প্যারিস রোড, টুকিটাকি চত্বর, আম চত্বর, পরিবহন মার্কেট, ইবলিশ চত্বরসহ বিভিন্ন জায়গায় নতুন-পুরোনো শিক্ষার্থীদের আড্ডা ছিল লক্ষণীয়।

প্রথন দিনের অনুভূতি জানতে চাইলে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী সালমান আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন পরিবেশ আমাদের জন্য অনেক আনন্দ আর উচ্ছ্বাসের। তবে এখানে আসার পথটা আমার জন্য সহজ ছিল না। ভর্তির শুরুটা ছিল বেশ কঠিন। প্রথমবার চান্স না পাওয়ায় ভীষণ হতাশায় পড়েছিলাম। সেই হতাশা কাটিয়ে দ্বিতীয়বার চেষ্টা করি, আর তখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাই।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী রিফাত বলেন, দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান শেষ আমি আজকে আমার জীবন নতুন যাত্রা শুরু করলাম, অনেক কষ্ট আর পরিশ্রমের মাধ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে অর্জন করতে পেরেছি। বিভাগের শিক্ষক , বড় ভাই বোন খুবই আন্তরিক। আমি আশা করছি আমার লক্ষ অর্জন করতে সক্ষম হবো।

ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষার্থী ফরহাদ রেজা বলেন, রাবি আমার কাছে ভালো লাগার ক্যাম্পাস। আমি এর আগেও এসেছি তখন থেকেই রাবির প্রতি আমার আলাদাভাবে ভালোলাগা শুরু হয়েছে। আমার আরো কিছু বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছিলো কিন্তু রাবিকেই আমি চয়েস হিসেবে নিয়েছি। ভালোভাবে পড়াশোনা করে বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আজকের দিনটি শুরু করতে যাচ্ছি

ব্যাংকিং এন্ড ইন্সুরেন্স বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী রাশেদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম দিন আসলেই ভালো লাগতেছে। ভিতর থেকে কেমন যে এক অজানা উদ্দিপনা কাজ করতেছে, আমিও এখন থেকে ০এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। চারদিকে নতুনত্ব, নতুন বন্ধু, নতুন পরিবেশ, নতুন একটা পরিবারের মতো লাগছে।

নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমান বলেন, ক্যাম্পাসে নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাই, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন তাদের মধুর হোক। একইসাথে আমি সর্তক করে দিতে চাই র‍্যাগিং আইনত দণ্ডনীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী এতে জড়ালে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সবাইকে সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ভর্তি প্রক্রিয়া শেষে আজ (১০ ম) বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ক্লাস শুরু হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে টুম্পা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনে অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে টুম্পা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনে অনিয়মের অভিযোগ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া ইউনিয়নের ঘনি বিষ্ণপুর গ্রামের সাদেকুল ইসলামের মেয়ে টুম্পা মনির বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে |

লাস্যময়ী টুম্পা মনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দোকানদার এবং কি ধনী লোককে ফাঁদে ফেলে টাকা নিয়ে টাকা আর দেয় না।টাকা চাইলে পরবর্তীতে উল্টা আরো হুমকি ধামকি দেয়।
এই মহিলা কে বিভিন্নভাবে আবু নামে একজন সহযোগিতা করে আসছে। এদের বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন সময় কয়েকজন ব্যবসায়ী ও স্থানীয় ব্যক্তি আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন।
স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ নেওয়ার পর তা ফেরত না দেওয়া এবং টাকা ফেরত চাইলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক লিখিত অভিযোগ বা প্রশাসনিক তদন্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে এলাকাবাসীর একাংশ বলছেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত টুম্পার সাথে বার বার যোগাযোগ করা হলেও টুম্পা এব্যাপার এ কোন বক্তব্য দিতে রাজী হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা জনমাধ্যমে অভিযোগ প্রকাশের আগে যথাযথ প্রমাণ ও আইনি প্রক্রিয়ার অনুসরণ জরুরি। তারা বলছেন, এতে যেমন প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে, তেমনি কারও সম্মানহানির ঝুঁকিও কমবে।
প্রশাসনের প্রতি এলাকাবাসীর আহ্বান অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।