খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮ মাঘ, ১৪৩২

কলাতলীতে চাদা না পেয়ে বসতবাড়ি বাঙচুর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫, ২:৪২ অপরাহ্ণ
কলাতলীতে চাদা না পেয়ে বসতবাড়ি বাঙচুর

কলাতলীতে চাঁ’দা না পেয়ে বসতবাড়ি ভা’ঙচুর, কেয়ারটেকারের উপর হা’মলা

  • ওসমান কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি একুশে বার্তা
  • কক্সবাজার শহরতলীর ঝিংলজা ইউনিয়নস্ত কলাতলী বিকাশ বিল্ডিং এলাকায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে না পেয়ে একটি বসতভিটায় হামলা চালানো হয়েছে। এসময় নূর মোহাম্মদ নামের ওই বাড়ির কেয়ারটেকারের উপর মারাত্মক হামলা চালানো হয়েছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে দক্ষিণ ডিককুল এলাকার আবু বকরের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র লোকজন এই হামলা চালিয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন। তবে ৯৯৯ এ কল দিয়ে আরো বড় ধরণের হামলা থেকে রক্ষা পেয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এই ঘটনায় ওই বসতভিটার মালিক জিন্নাত আলী বাদি হয়ে থানায় এজাহার দায়ের করেছেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, কক্সবাজার কলেজগেইট এলাকার জানারঘোনা এলাকার আবদুল হকের পুত্র জিন্নাত আলী ২০১২ সালে কলাতলী বিকাশ বিল্ডিং এলাকায় ২৯৯৯ রেজিস্ট্রি দলিলমূলে ৫৬ শতক নিষ্টক্টক জমি ক্রয় করেন। এরপর সীমানা দেয়াল নির্মাণ করে ভিটায় বসতবাড়ি নির্মাণ করেন এবং নিরাপত্তার স্বার্থে আনসার নিয়োগ করেন। কিন্তু সম্প্রতি ঈদগাঁও ইসলামপুর নাপিতখালী এলাকার মনজুর আহমদের নেতৃত্বে মোহাম্মদ মুন্না, মহি উদ্দীন, মোজাম্মেল, মিজান, মামুন, কামাল ও কালু মিলে ভুক্তভোগী জিন্নাত আলী থেকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং চাঁদা না দিলে বসতভিটা দখলের হুমকি দেন। কিন্তু চাঁদা না পেয়ে ক্ষিপ্ত হন অভিযুক্তরা। এর জের ধরে বৃহস্পতিবার ভোরে ৪টার দিকে আবু বকরের নেতৃত্বে আকস্মিক ওই বসতভিটায় হামলা চালায়। এসময় বাধা দেয়ায় বসতভিটার কেয়ারটেকার নূর মোহাম্মদের উপর জঘন্য হামলা চালায়। অভিযুক্তরা সবাই বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে তাকে উপর্যুপরি আঘাত করে। এক পর্যায়ে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় মালিক জিন্নাত আলী। তিনি তাৎক্ষণিক জাতীয় জরুরী সেবা নং ৯৯৯ এ কল দেন। এরপর সদর মডেল থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযানে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে হামলা শিকার নূর মোহাম্মদকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বসতভিটার মালিক ভুক্তভোগী জিন্নাত আলী বলেন, আবু বকরসহ অন্যান্য অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা দাবি করে আসছেন। তাদের দাবিকৃত চাঁদা না দেয়ায় তারা বিভিন্ন সময় হত্যাসহ নানা হুমকি দিয়ে আসছিলেন। সর্বশেষ বসতভিটাটি দখলের উদ্দেশ্যে ন্যাক্কাজনক হামলা চালিয়েছে।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ইলিয়াছ খান বলেন, ‘৯৯৯ থেকে অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে একদল পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

ঠাকুরগাঁও–২ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন  বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী তুলা

MD JAMIL HASAN
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁও–২ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন  বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী তুলা

ঠাকুরগাঁও–২ (বালিয়াডাঙ্গী–হরিপুর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্বতন্ত্র প্রার্থী শেষ পর্যন্ত তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এতে করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আলোচিত এই আসনে রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড় সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন করেন।রিটার্নিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই তার মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

মো. জুলফিকার মর্তুজা চৌধুরী তুলা জানায়, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা ও সামগ্রিক নির্বাচনী কৌশলের অংশ হিসেবেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে বিএনপির জেলা কিংবা কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কোনো নেতা আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেননি।উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও–২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। বিদ্রোহী প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহারের ফলে এ আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থীর ডা. আব্দুস সালাম এর অবস্থান আরও সুসংহত হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী মাঠে বিএনপির সাংগঠনিক ঐক্য জোরদার করবে এবং ভোটের হিসাবেও দলটি সুবিধাজনক অবস্থানে যাবে। এই আসনে বর্তমানে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী থাকলেন ৭ জন।

নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় স্ত্রীর মৃত্যুদন্ড

মামুন রণবীর | নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় স্ত্রীর মৃত্যুদন্ড

Oplus_131072

নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামী রুক্কু মিয়াকে (৩৮) কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রী রুবিনা আক্তারকে (৩৭) মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেয়া হয়েছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জেলা জজ মোছা. মরিয়ম-মুন-মুঞ্জুরী এই রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল হাসেম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত রুবিনা আক্তার (৩২) জেলার পূর্বধলা উপজেলার কৈলাটি গ্রামের বজলুর রহমানের মেয়ে। তার স্বামী নিহত রুক্কু মিয়া একই উপজেলার লেটিরকান্দা গ্রামের শামছুর রহমানের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, রুক্কু মিয়া তিনটি বিয়ে করেছিলেন। প্রথম স্ত্রী রুবিনা ছাড়াও পরে নোয়াখালীতে দ্বিতীয় ও গাজীপুরে তৃতীয় বিয়ে করেন। রুক্কুর সঙ্গে ১১ বছরের সংসার জীবনে রুবিনার ৯ বছর ও ৭ বছরের দুইটি মেয়ে রয়েছে। কিন্তু কয়েক বছর ধরে তিনি তাদের ভরণপোষণ দিচ্ছিলেন না। এতে চরম কলহ দেখা দেয়। এই দাম্পত্য কলহের জেরে ২০২১ সালের ১৪ মে, ঈদের দিন সন্ধ্যায় রুক্কু মিয়া শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গেলে রাতের খাবার শেষে ঘুমন্ত অবস্থায় রুবিনা তাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

এই হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত রুক্কুর ভাই মো. আসান মিয়া বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে ওই মামলায় ১১ জনের সাক্ষ্য শেষে রুবিনা আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন আদালত।

রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল হাসেম বলেন, এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড। মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ ও উপস্থাপিত আলামত পর্যালোচনা করে আদালত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করছে।

রাবি ডিবেটিং ফোরামের নতুন কমিটি গঠন

রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
রাবি ডিবেটিং ফোরামের নতুন কমিটি গঠন

রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ফোরাম (RUDF)-এর ১৭তম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে চিফ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফাইনান্স বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের মোসাঈব ইবনে আনোয়ার।

গত ১৫ জানুয়ারি বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচনের মাধ্যমে ৬ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি গঠন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও মডারেটর মহোদয়।

কমিটিতে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রত্যয় সারার শিহাব, রাকিবুল হাসান স্বাধীন, মাফিউল ওয়াহিদ সিহাব, তামিম খান ও সৌকত খান অন্তু।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সাল থেকে রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ফোরাম (RUDF) শিক্ষার্থীদের বিতর্ক শেখানোর জন্য কাজ করে আসছে এবং একই সাথে জাতীয় পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় কে প্রতিনিধিত্ব করে আসছে।