খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮ মাঘ, ১৪৩২

ঈদের ছুটিতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে প্রাণচাঞ্চল্য

ওসমান কক্সবাজার
প্রকাশিত: বুধবার, ২ এপ্রিল, ২০২৫, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে প্রাণচাঞ্চল্য

পুরো রমজান মাসে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ছিল প্রায় সুনসান নীরবতা। হোটেল-মোটেল, গেস্টহাউস ও রিসোর্টগুলো ছাড় দিয়েও অতিথি পায়নি। বন্ধ ছিল পর্যটক নির্ভর রেস্তোরাঁসহ অন্যান্য ব্যবসা। সেই নীরবতা ভেঙেছে ঈদুল ফিতরের ছুটিতে। ঈদের দিন দুপুর থেকে স্থানীয় পর্যটকরা সৈকতমুখী হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার থেকে আসবেন বাইরের জেলার ভ্রমণপ্রেমীরা।

পর্যটকদের বরণ করে নিতে ইতোমধ্যে হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট ও রেস্তোরাঁগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সংস্কার করে প্রস্তুত করা হয়েছে। এ ছাড়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকাররাও নব উদ্যমে প্রস্তুতি নিয়েছেন।

পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, এবারের ঈদে ৯ দিনের লম্বা ছুটিতে চাকরিজীবীদের বড় একটি অংশ সপরিবারে বেড়ানোর সুযোগ পাচ্ছেন। আর লম্বা ছুটি বা বিশেষ দিনে ভ্রমণপিপাসুদের বরাবরই পছন্দের জায়গা কক্সবাজার। এখানে সমুদ্রসৈকত ছাড়াও পাহাড়, নদী, ছড়া, ঝিরি-ঝরনাসহ প্রকৃতির অপরূপ সব সৌন্দর্য দেখার সুযোগ রয়েছে।

হোটেল-মোটেল মালিকরা জানান, রমজান মাসের আগের চার মাসে বিপুলসংখ্যক পর্যটক কক্সবাজার ঘুরতে এসেছেন। প্রতি সপ্তাহে গড়ে আড়াই থেকে তিন লাখ পর্যটক এসেছিলেন। আর গত বছর ঈদুল ফিতরের ছুটিতে অন্তত ১০ লাখ পর্যটকের সমাগম হয়েছিল। এবার অনেকেই দেশের নানা প্রান্ত থেকে অনলাইন বা ফোনে যোগাযোগ করে কক্ষ বুকিং দিয়েছেন। ২ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত ৮০ শতাংশ কক্ষ বুকিং রয়েছে। কক্সবাজার শহর ও মেরিন ড্রাইভের পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেল, গেস্টহাউস ও রিসোর্টে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার পর্যটক থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।

হোটেল-মোটেল, গেস্টহাউস ও রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, ‘বাইরের পর্যটকরা ঈদের পরদিন অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকে কক্সবাজারমুখী হবেন। পর্যটকরা ভ্রমণে এসে যাতে সমস্যার সম্মুখীন না হন এর জন্য অনলাইনে হোটেল বুকিং দিয়ে এলেই সবচেয়ে ভালো।’

টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার অঞ্চলের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, পর্যটকদের অতিরিক্ত চাপ বাড়ার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সমুদ্রসৈকত ও পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে সার্বক্ষণিক টুরিস্ট পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে। টুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও তৎপর রয়েছে।

বাংলাদেশ ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন (টোয়াব)–এর সভাপতি মোহাম্মদ রফিউজ্জামান বলেন, এবার ছুটি বেশি হওয়ায় অনেকে গ্রামের বাড়িতে গেছেন এবং সেখান থেকে কাছাকাছি পর্যটন স্পটে ঘুরতে বের হবেন। ফলে কোনো নির্দিষ্ট স্থানে অতিরিক্ত ভিড় হবে না। এটি পর্যটনের জন্য ইতিবাচক, কারণ অতিরিক্ত ভিড় হলে পর্যটকরা ঠিকভাবে ভ্রমণ করতে পারেন না এবং হোটেল বুকিং পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

টোয়াবের সাবেক সভাপতি শিবলুল আজম কোরেশি বলেন, সাধারণত ঈদের এই দীর্ঘ ছুটিতে সারা দেশে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ ভ্রমণে বের হন। এর মধ্যে কক্সবাজার, কুয়াকাটা, সুন্দরবন, সিলেটের বিভিন্ন এলাকা—যেমন রাতারগুল, বিছানাকান্দি, জাফলং, তামাবিল, রাঙামাটি ও পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে সবচেয়ে বেশি ভিড় থাকে।

ঠাকুরগাঁও–২ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন  বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী তুলা

MD JAMIL HASAN
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁও–২ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন  বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী তুলা

ঠাকুরগাঁও–২ (বালিয়াডাঙ্গী–হরিপুর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্বতন্ত্র প্রার্থী শেষ পর্যন্ত তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এতে করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আলোচিত এই আসনে রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড় সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন করেন।রিটার্নিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই তার মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

মো. জুলফিকার মর্তুজা চৌধুরী তুলা জানায়, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা ও সামগ্রিক নির্বাচনী কৌশলের অংশ হিসেবেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে বিএনপির জেলা কিংবা কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কোনো নেতা আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেননি।উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও–২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। বিদ্রোহী প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহারের ফলে এ আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থীর ডা. আব্দুস সালাম এর অবস্থান আরও সুসংহত হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী মাঠে বিএনপির সাংগঠনিক ঐক্য জোরদার করবে এবং ভোটের হিসাবেও দলটি সুবিধাজনক অবস্থানে যাবে। এই আসনে বর্তমানে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী থাকলেন ৭ জন।

নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় স্ত্রীর মৃত্যুদন্ড

মামুন রণবীর | নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় স্ত্রীর মৃত্যুদন্ড

Oplus_131072

নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামী রুক্কু মিয়াকে (৩৮) কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রী রুবিনা আক্তারকে (৩৭) মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেয়া হয়েছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জেলা জজ মোছা. মরিয়ম-মুন-মুঞ্জুরী এই রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল হাসেম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত রুবিনা আক্তার (৩২) জেলার পূর্বধলা উপজেলার কৈলাটি গ্রামের বজলুর রহমানের মেয়ে। তার স্বামী নিহত রুক্কু মিয়া একই উপজেলার লেটিরকান্দা গ্রামের শামছুর রহমানের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, রুক্কু মিয়া তিনটি বিয়ে করেছিলেন। প্রথম স্ত্রী রুবিনা ছাড়াও পরে নোয়াখালীতে দ্বিতীয় ও গাজীপুরে তৃতীয় বিয়ে করেন। রুক্কুর সঙ্গে ১১ বছরের সংসার জীবনে রুবিনার ৯ বছর ও ৭ বছরের দুইটি মেয়ে রয়েছে। কিন্তু কয়েক বছর ধরে তিনি তাদের ভরণপোষণ দিচ্ছিলেন না। এতে চরম কলহ দেখা দেয়। এই দাম্পত্য কলহের জেরে ২০২১ সালের ১৪ মে, ঈদের দিন সন্ধ্যায় রুক্কু মিয়া শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গেলে রাতের খাবার শেষে ঘুমন্ত অবস্থায় রুবিনা তাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

এই হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত রুক্কুর ভাই মো. আসান মিয়া বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে ওই মামলায় ১১ জনের সাক্ষ্য শেষে রুবিনা আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন আদালত।

রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল হাসেম বলেন, এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড। মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ ও উপস্থাপিত আলামত পর্যালোচনা করে আদালত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করছে।

রাবি ডিবেটিং ফোরামের নতুন কমিটি গঠন

রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
রাবি ডিবেটিং ফোরামের নতুন কমিটি গঠন

রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ফোরাম (RUDF)-এর ১৭তম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে চিফ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফাইনান্স বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের মোসাঈব ইবনে আনোয়ার।

গত ১৫ জানুয়ারি বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচনের মাধ্যমে ৬ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি গঠন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও মডারেটর মহোদয়।

কমিটিতে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রত্যয় সারার শিহাব, রাকিবুল হাসান স্বাধীন, মাফিউল ওয়াহিদ সিহাব, তামিম খান ও সৌকত খান অন্তু।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সাল থেকে রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ফোরাম (RUDF) শিক্ষার্থীদের বিতর্ক শেখানোর জন্য কাজ করে আসছে এবং একই সাথে জাতীয় পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় কে প্রতিনিধিত্ব করে আসছে।