খুঁজুন
বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭ মাঘ, ১৪৩২

আর্তমানবতার সেবায় হাত বাড়ালেন ব্যারিস্টার কায়সার,শিশু আব্দুল্লাহ পেল নতুন জীবন

মামুন রণবীর | নেত্রকোণা
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ মার্চ, ২০২৫, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
আর্তমানবতার সেবায় হাত বাড়ালেন ব্যারিস্টার কায়সার,শিশু আব্দুল্লাহ পেল নতুন জীবন

শিশু আব্দুল্লাহ,বয়স তিন বছর। জন্ম থেকেই শিশুটির হার্টে সমস্যা। স্বাভাবিক চলাফেরায় ছিল খুব অসুবিধে। কিছুদিন আগেও তার জীবন সহজ ছিল না। তবে এখন সে সুস্থ৷ তার বাড়িতে গিয়ে দেখা গেল শিশুটি হাঁটছে,খাবার খাচ্ছে,খেলাধুলা করছে,মানুষ দেখলেই হাসছে। যেন এক সবুজ পাখির ওড়াওড়ি।

বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামালের উদ্যোগে সম্প্রতি অপারেশন করে শিশু আব্দুল্লাহকে সুস্থ করে তোলা হয়েছে।

আব্দুল্লাহর পিতা খোকন মিয়া পেশায় দিনমজুর। তার মা মাজেদা খাতুন গৃহিণী। পরিবারের ছয় সদস্যের মধ্যে দুই ছেলে,দুই মেয়ে নিয়ে তাদের টানাপোড়েনের সংসার। নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার চন্ডিগড় ইউনিয়নের নীলাখালী গ্রামে তাদের বাড়ি।

দিনমজুর খোকন মিয়ার সংসারে নুন আনতে যখন পান্তা ফুরায় তখন তার শিশুপুত্র আব্দুল্লাহকে নিয়ে পড়েন মহা দুর্বিপাকে৷ প্রায়ই অসুস্থ হয়ে শিশু আব্দুল্লাহর সারা শরীর কালো হয়ে যায়। সে চিৎকার করে। ঘুমাতে পারেনা,খাওয়াদাওয়া ঠিকমতো করেনা। এ অবস্থায় ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার পর জানা যায় আব্দুল্লাহর হার্টে সমস্যা। ডাক্তার জানায় হার্টের অপারেশন করতে হবে। এজন্য অনেক টাকার প্রয়োজন।

অপারেশনের কথা শুনে দিনমজুর খোকন মিয়া পড়েন মহা দুশ্চিন্তায়। হঠাৎ জানতে পারেন পার্শ্ববর্তী কলমাকান্দা উপজেলার নাজিরপুরে বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল দু:স্থ অসহায় মানুষের চিকিৎসায় ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প আয়োজন করেছেন।

খোকন মিয়া সেখানে শিশু আব্দুল্লাহকে নিয়ে কায়সার কামালের দ্বারস্থ হয়ে সকল সমস্যার কথা খুলে বলেন। তার অসহায়ত্বের কথা শুনে তিনি শিশুর চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আব্দুল্লাহকে ভর্তি করা হয় ঢাকা ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে। ২২ ফেব্রুয়ারি তার হার্টের সফল অপারেশন হয়। সূচনা হয় শিশু আব্দুল্লাহর নতুন জীবনের।

আব্দুল্লাহর মা মাজেদা খাতুন বলেন,আমার ছেলেকে নিয়ে আমরা দিশেহারা ছিলাম। কিভাবে চিকিৎসা করাবো তার কোন কূলকিনারা পাচ্ছিলাম না। পরে কায়সার কামাল সাহেব চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়। তার নিজের খরচে অপারেশন করা হয়। যাবতীয় চিকিৎসা ও ঔষধ খরচ তিনি বহন করেছেন। আমার ছেলে আল্লাহর রহমতে এখন সুস্থ আছে।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, আলহামদুলিল্লাহ,আবদুল্লাহ এখন সুস্থ। তার মা-বাবা সহ প্রতিবেশী সকলে খুশী । মানবতার সেবায় আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।

ঠাকুরগাঁও–২ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন  বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী তুলা

MD JAMIL HASAN
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁও–২ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন  বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী তুলা

ঠাকুরগাঁও–২ (বালিয়াডাঙ্গী–হরিপুর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্বতন্ত্র প্রার্থী শেষ পর্যন্ত তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এতে করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আলোচিত এই আসনে রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড় সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন করেন।রিটার্নিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই তার মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

মো. জুলফিকার মর্তুজা চৌধুরী তুলা জানায়, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা ও সামগ্রিক নির্বাচনী কৌশলের অংশ হিসেবেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে বিএনপির জেলা কিংবা কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কোনো নেতা আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেননি।উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও–২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। বিদ্রোহী প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহারের ফলে এ আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থীর ডা. আব্দুস সালাম এর অবস্থান আরও সুসংহত হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী মাঠে বিএনপির সাংগঠনিক ঐক্য জোরদার করবে এবং ভোটের হিসাবেও দলটি সুবিধাজনক অবস্থানে যাবে। এই আসনে বর্তমানে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী থাকলেন ৭ জন।

নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় স্ত্রীর মৃত্যুদন্ড

মামুন রণবীর | নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় স্ত্রীর মৃত্যুদন্ড

Oplus_131072

নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামী রুক্কু মিয়াকে (৩৮) কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রী রুবিনা আক্তারকে (৩৭) মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেয়া হয়েছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জেলা জজ মোছা. মরিয়ম-মুন-মুঞ্জুরী এই রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল হাসেম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত রুবিনা আক্তার (৩২) জেলার পূর্বধলা উপজেলার কৈলাটি গ্রামের বজলুর রহমানের মেয়ে। তার স্বামী নিহত রুক্কু মিয়া একই উপজেলার লেটিরকান্দা গ্রামের শামছুর রহমানের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, রুক্কু মিয়া তিনটি বিয়ে করেছিলেন। প্রথম স্ত্রী রুবিনা ছাড়াও পরে নোয়াখালীতে দ্বিতীয় ও গাজীপুরে তৃতীয় বিয়ে করেন। রুক্কুর সঙ্গে ১১ বছরের সংসার জীবনে রুবিনার ৯ বছর ও ৭ বছরের দুইটি মেয়ে রয়েছে। কিন্তু কয়েক বছর ধরে তিনি তাদের ভরণপোষণ দিচ্ছিলেন না। এতে চরম কলহ দেখা দেয়। এই দাম্পত্য কলহের জেরে ২০২১ সালের ১৪ মে, ঈদের দিন সন্ধ্যায় রুক্কু মিয়া শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গেলে রাতের খাবার শেষে ঘুমন্ত অবস্থায় রুবিনা তাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

এই হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত রুক্কুর ভাই মো. আসান মিয়া বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে ওই মামলায় ১১ জনের সাক্ষ্য শেষে রুবিনা আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন আদালত।

রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল হাসেম বলেন, এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড। মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ ও উপস্থাপিত আলামত পর্যালোচনা করে আদালত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করছে।

রাবি ডিবেটিং ফোরামের নতুন কমিটি গঠন

রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
রাবি ডিবেটিং ফোরামের নতুন কমিটি গঠন

রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ফোরাম (RUDF)-এর ১৭তম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে চিফ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফাইনান্স বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের মোসাঈব ইবনে আনোয়ার।

গত ১৫ জানুয়ারি বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচনের মাধ্যমে ৬ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি গঠন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও মডারেটর মহোদয়।

কমিটিতে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রত্যয় সারার শিহাব, রাকিবুল হাসান স্বাধীন, মাফিউল ওয়াহিদ সিহাব, তামিম খান ও সৌকত খান অন্তু।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সাল থেকে রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ফোরাম (RUDF) শিক্ষার্থীদের বিতর্ক শেখানোর জন্য কাজ করে আসছে এবং একই সাথে জাতীয় পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় কে প্রতিনিধিত্ব করে আসছে।